৩৪/৮২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২১৮৫ - মুযাবানা বিক্রির নিষেধ ও অর্থ
মুযাবানা পদ্ধতিতে কেনা-বেচা। অর্থাৎ গাছের খেজুরের বদলে শুকনো খেজুর, রসালো আঙ্গুরের পরিবর্তে শুকনো আঙ্গুর এবং ধারে বিক্রয় করা।
মুযাবানা কী: খেজুর ও আঙ্গুর লেনদেনের নিষেধ
সহীহ বুখারী : ২১৮৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২১৮৫
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْمُزَابَنَةِ. وَالْمُزَابَنَةُ اشْتِرَاءُ الثَّمَرِ بِالتَّمْرِ كَيْلاً، وَبَيْعُ الْكَرْمِ بِالزَّبِيبِ كَيْلاً.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মুযাবানা হতে নিষেধ করেছেন। মুযাবানার অর্থ হল মেপে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর এবং মেপে কিসমিসের বিনিময়ে আঙ্গুর ক্রয় করা।
সহীহ বুখারী হাদিস ২১৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় মুযাবানা। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم) মুযাবানা থেকে নিষেধ করেছেন। হাদিসেই মুযাবানার অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে—মেপে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর কেনা এবং মেপে কিশমিশের বিনিময়ে আঙ্গুর বিক্রি করা। এখানে সমস্যা হলো, এক পাশে শুকনো বা মাপা জিনিস, অন্য পাশে তাজা ফল; ফলে পরিমাণ ও মান নিয়ে অস্পষ্টতা থাকতে পারে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, কৃষিপণ্য বা ফলের লেনদেনে শুধু নাম দেখে নয়, পণ্যের অবস্থা ও মাপের বিষয়ও খেয়াল রাখতে হয়। মুযাবানা নিষেধের হাদিস ব্যবসায়ী, বাগান মালিক ও ক্রেতা—সবার জন্য সতর্ক বার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুযাবানা থেকে নবী (صلى الله عليه وسلم) নিষেধ করেছেন।
- তাজা ফল ও শুকনো ফলের বিনিময়ে মাপের অস্পষ্টতা এড়ানো দরকার।
- খেজুর ও আঙ্গুরের লেনদেনে পণ্যের অবস্থা পরিষ্কার হওয়া উচিত।
