৩৪/৮২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২১৮৬ - মুযাবানা ও মুহাকালার নিষেধ
মুযাবানা পদ্ধতিতে কেনা-বেচা। অর্থাৎ গাছের খেজুরের বদলে শুকনো খেজুর, রসালো আঙ্গুরের পরিবর্তে শুকনো আঙ্গুর এবং ধারে বিক্রয় করা।
মুযাবানা ও মুহাকালা: ফল লেনদেনে সতর্কতা
সহীহ বুখারী : ২১৮৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২১৮৬
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، مَوْلَى ابْنِ أَبِي أَحْمَدَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ـ رضى الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْمُزَابَنَةِ وَالْمُحَاقَلَةِ. وَالْمُزَابَنَةُ اشْتِرَاءُ الثَّمَرِ بِالتَّمْرِ فِي رُءُوسِ النَّخْلِ.
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মুযাবানা ও মুহাকালা বারণ করেছেন। মুযাবানার অর্থ- শুকনো খেজুরের বিনিময়ে গাছের মাথায় অবস্থিত তাজা খেজুর ক্রয় করা।
সহীহ বুখারী হাদিস ২১৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় মুযাবানা ও মুহাকালা থেকে বিরত থাকা। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) মুযাবানা ও মুহাকালা বারণ করেছেন। এরপর মুযাবানার অর্থ বলা হয়েছে—শুকনা খেজুরের বিনিময়ে গাছের মাথায় থাকা তাজা খেজুর কেনা। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। সরাসরি যে শিক্ষা পাওয়া যায়, তা হলো গাছে থাকা ফলের সঙ্গে শুকনা ফলের বিনিময়ে লেনদেনের ক্ষেত্রে অস্পষ্টতা থাকে। পরিমাণ, মান ও ফলের অবস্থা নিয়ে ঝামেলা হতে পারে। তাই মুযাবানা, মুহাকালা, খেজুর বিক্রি এবং ফলের লেনদেনে সতর্ক থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুযাবানা ও মুহাকালা থেকে নিষেধ এসেছে।
- গাছে থাকা তাজা খেজুরের বিনিময়ে শুকনা খেজুর কেনা বারণ করা হয়েছে।
- অস্পষ্ট ফল লেনদেন ঝগড়ার কারণ হতে পারে।
