৩৭/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২২৬৬ - হাত কামড়ানো ও দাঁতের ক্ষতিপূরণ
জিহাদের ময়দানে মজদুর নিয়োগ।
হাত কামড়ানোর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ বাতিলের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ২২৬৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২২৬৬
قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ وَحَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ جَدِّهِ، بِمِثْلِ هَذِهِ الصِّفَةِ أَنَّ رَجُلاً، عَضَّ يَدَ رَجُلٍ، فَأَنْدَرَ ثَنِيَّتَهُ، فَأَهْدَرَهَا أَبُو بَكْرٍ رضى الله عنه.
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইবনু জুরাইজ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) তার দাদার সূত্রে অনুরূপ একটি ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির হাত দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরল। এতে (লোকটি তার হাত বের করার জন্য সজোরে টান দিলে) (যে কামড় দিয়েছিল) তার সামনের দাঁত পড়ে যায়। আবূ বকর (রাঃ) কোন ক্ষতিপূরণের দাবী বাতিল করে দেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ২২৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের কোর টপিক হলো ক্ষতিপূরণ ও বিচার। এখানে বলা হয়েছে, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির হাত দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে। যাকে কামড়ানো হয়েছিল, সে হাত বের করার জন্য জোরে টান দিলে কামড়দাতার সামনের দাঁত পড়ে যায়। এরপর ক্ষতিপূরণের দাবি উঠলে আবু বকর (রাঃ) তা বাতিল করে দেন। এই বর্ণনা আগের ঘটনার মতোই একটি ন্যায়ের শিক্ষা দেয়। কেউ অন্যকে কষ্ট দিয়ে নিজের ক্ষতির দায় অন্যের উপর চাপাতে পারে না। মূল কীওয়ার্ড হলো হাত কামড়ানো হাদিস। সম্পর্কিত শব্দ হলো দাঁতের ক্ষতিপূরণ, ইসলামী বিচার, অন্যায় আক্রমণ, আত্মরক্ষা ও মজুরের সংঘর্ষ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যায়ভাবে কাউকে কামড়ানো গুরুতর আচরণ।
- নিজের অন্যায়ের ফলে ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দাবি সবসময় গ্রহণযোগ্য নয়।
- বিচারককে ঘটনার কারণ ও দায় দেখেই সিদ্ধান্ত দিতে হয়।
- অন্যের শরীরের নিরাপত্তা সম্মান করা জরুরি।
