৪২/১১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৩৬৭ - হাউযে কাউসার থেকে বঞ্চিত হওয়ার সতর্কতা
যাদের মতে চৌবাচ্চা ও মশকের মালিক পানির অধিক অধিকারী।
হাউযে কাউসার থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার সতর্কতামূলক হাদিস
সহীহ বুখারী : ২৩৬৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৩৬৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لأَذُودَنَّ رِجَالاً عَنْ حَوْضِي كَمَا تُذَادُ الْغَرِيبَةُ مِنَ الإِبِلِ عَنِ الْحَوْضِ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমি নিশ্চয়ই (কিয়ামাতের দিন) আমার হাউজ (কাউসার) হতে কিছু লোকদেরকে এমনভাবে তাড়াব, যেমন অপরিচিত উট হাউজ হতে তাড়ানো হয়।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৩৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) কসম করে বলেছেন, তিনি কেয়ামতের দিন তাঁর হাউয থেকে কিছু লোককে সরিয়ে দেবেন, যেমন অপরিচিত উটকে হাউয থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। হাদিসটির ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু সতর্কতা গভীর। এখানে মূল শিক্ষা হলো, হাউযে কাউসার একটি বড় মর্যাদার বিষয়, আর সেখান থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া বড় বঞ্চনা। হাদিসে কারা সেই লোক, তা এই অংশে বিস্তারিত বলা হয়নি; তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়। বরং সরাসরি শিক্ষাটি হলো—নবীজির পথের সঙ্গে সম্পর্ক, আনুগত্য ও সতর্ক জীবনযাপনকে হালকা করে দেখা যাবে না। একজন মুমিনের জন্য এ হাদিস আত্মসমালোচনার দরজা খুলে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাউযে কাউসার থেকে বঞ্চিত হওয়া বড় সতর্কতার বিষয়।
- নবীজির পথ থেকে দূরে সরে যাওয়ার বিষয়ে মুমিনের সতর্ক থাকা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস হলেও এর বার্তা আত্মসমালোচনার দিকে ডাকে।
- কেয়ামতের বাস্তবতা মনে রেখে আমল ঠিক রাখা জরুরি।
