৪৩/১২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৪০০ - ধনী ব্যক্তির ঋণ আদায়ে গড়িমসি যুলুম
ধনী ব্যক্তির (ঋণ আদায়ে) গড়িমসি করা অত্যাচারের শামিল।
ঋণ আদায়ে গড়িমসি: ধনী ব্যক্তির দেরি করা যুলুম
সহীহ বুখারী : ২৪০০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৪০০
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، أَخِي وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " مَطْلُ الْغَنِيِّ ظُلْمٌ ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ধনী ব্যক্তির (ঋণ আদায়ে) গড়িমসি করা জুলুম।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৪০০-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ধনী ব্যক্তির ঋণ আদায়ে গড়িমসি করা যুলুম। “ঋণ আদায়ে গড়িমসি হাদিস” খুব সরাসরি একটি নৈতিক শিক্ষা দেয়। এখানে ধনী বলতে এমন ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে, যার পরিশোধের সামর্থ্য আছে। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও পাওনাদারকে অপেক্ষায় রাখা, অকারণে দেরি করা বা টালবাহানা করা অন্যায়। হাদিসে এটি যুলুম বলা হয়েছে, তাই বিষয়টি হালকা নয়। ঋণ পরিশোধ শুধু আর্থিক কাজ নয়; এটি অন্যের হক আদায়। সামর্থ্য থাকলে দ্রুত ও সঠিকভাবে ঋণ শোধ করা উচিত। এতে পাওনাদারের হক রক্ষা হয় এবং নিজের দায়িত্বও পূর্ণ হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ঋণ শোধে দেরি করা যুলুম।
- পাওনাদারের হক আটকে রাখা উচিত নয়।
- ঋণ পরিশোধ চরিত্র ও দায়িত্বের বিষয়।
- ধনী ব্যক্তির জন্য টালবাহানা আরও গুরুতর।
