৪/৭৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৪২ - নেশাদ্রব্য হারাম হওয়ার স্পষ্ট শিক্ষা
নবীয (খেজুর, কিসমিস, মনাক্কা, ইত্যাদি ভিজানো পানি) এবং নেশার উদ্রেককারী পানীয় দ্বারা উযু না-জায়েয।
وَكَرِهَهُ الْحَسَنُ وَأَبُو الْعَالِيَةِ وَقَالَ عَطَاءٌ التَّيَمُّمُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنَ الْوُضُوءِ بِالنَّبِيذِ وَاللَّبَنِ.হাসান (রহঃ) ও আবুল ‘আলিয়া (রহঃ) একে মাকরুহ বলেছেন। ‘আত্বা (রহঃ) বলেন: নাবীয এবং দুধ দিয়ে ওযু করার চেয়ে তায়াম্মুম করাই আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।"
নেশাদ্রব্য হারাম: যে পানীয় নেশা সৃষ্টি করে তা নিষিদ্ধ
সহীহ বুখারী : ২৪২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৪২
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ "
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের কোর টপিক হলো নেশাদ্রব্য। নবী صلى الله عليه وسلم খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, যে সব পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম। এখানে বিষয়টি শুধু কোনো নির্দিষ্ট পানীয়ের নামে সীমাবদ্ধ করা হয়নি; বরং নেশা সৃষ্টি করাই মূল কারণ হিসেবে এসেছে। তাই হাদিসের সহজ শিক্ষা হলো, পানীয়ের নাম, রং বা উৎস যাই হোক, তা যদি নেশা আনে, তাহলে একজন মুসলিমের জন্য তা থেকে দূরে থাকা জরুরি। যারা ‘নেশাদ্রব্য হারাম হাদিস’, ‘মদ হারাম হাদিস বাংলা’ বা ‘যে পানীয় নেশা সৃষ্টি করে’ লিখে খোঁজেন, তাদের জন্য এই বর্ণনাটি খুব সরাসরি উত্তর দেয়। তবে হাদিসে পানীয়ের কথা এসেছে, তাই ব্যাখ্যায় খাবার বা অন্য বিষয়ের আলাদা আলোচনা এখানে টানা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নেশা সৃষ্টি করে এমন পানীয় হারাম বলা হয়েছে।
- হালাল-হারাম বোঝার ক্ষেত্রে প্রভাব বা ফলাফলও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
- মুসলিমের পানীয় বাছাইয়ে সতর্কতা থাকা দরকার।
