৪৯/১৬. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ২৫৪৯ - ইবাদত ও মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষা

যে ক্রীতদাস উত্তমরূপে তার মহান প্রভুর (আল্লাহর) ইবাদত করে আর তার মালিকের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়।

ইবাদত ও হিতাকাঙ্ক্ষার হাদিস: ক্রীতদাসের ভাগ্যবান অবস্থা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৫৪৯

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ «نِعْمَ مَا لأَحَدِهِمْ يُحْسِنُ عِبَادَةَ رَبِّهِ وَيَنْصَحُ لِسَيِّدِهِ ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন, কত ভাগ্যবান সে যে উত্তমরূপে আপন প্রতিপালকের ইবাদত করে এবং নিজ মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষী হয়।

সহীহ বুখারী হাদিস ২৫৪৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কত ভাগ্যবান সে, যে উত্তমভাবে নিজের প্রতিপালকের ইবাদত করে এবং নিজের মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষী হয়। এখানে হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। একজন মানুষের দায়িত্ব যদি কঠিনও হয়, তবু আল্লাহর ইবাদত এবং দায়িত্বের জায়গায় সততা তাকে প্রশংসনীয় অবস্থায় নিয়ে যায়। “মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষী ক্রীতদাস” বিষয়টি এই হাদিসের মূল কীওয়ার্ড হতে পারে। তবে ব্যাখ্যায় মনে রাখতে হবে, হাদিসটি ক্রীতদাসের নির্দিষ্ট অবস্থার কথা বলছে। এখান থেকে সরাসরি যা বোঝা যায় তা হলো—রবের ইবাদত ভালোভাবে করা এবং দায়িত্বে থাকা মানুষের কল্যাণ কামনা করা, দুটিই ভালো গুণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রবের ইবাদত উত্তমভাবে করা বড় গুণ।
  • দায়িত্বের জায়গায় হিতাকাঙ্ক্ষী হওয়া প্রশংসনীয়।
  • হাদিসে এমন ক্রীতদাসকে ভাগ্যবান বলা হয়েছে।
  • ইবাদত ও দায়িত্ববোধ একসাথে থাকা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন