৪৯/১৭. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ২৫৫৩ - শরীকি ক্রীতদাস মুক্তির বিধান

দাসদের মারধোর করা এবং আমার ক্রীতদাস ও আমার বাঁদী এরূপ বলা মাকরূহ।

وَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى ﴾وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ﴿ وَقَالَ ﴾عَبْدًا مَمْلُوكًا﴿ ﴾وَأَلْفَيَا سَيِّدَهَا لَدَى الْبَابِ﴿ وَقَالَ ﴾مِنْ فَتَيَاتِكُمُ الْمُؤْمِنَاتِ﴿ وَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ قُومُوا إِلَى سَيِّدِكُمْ وَ ﴾اذْكُرْنِي عِنْدَ رَبِّكَ﴿ عِنْدَ سَيِّدِكَ وَمَنْ سَيِّدُكُمْআল্লাহ তা‘আলার বাণী: “এবং তোমাদের ক্রীতদাস বাঁদীদের মধ্যে যারা সৎ .....” (আন-নূর ৩২)। তিনি আরো বলেন: “অপরের অধিকারভুক্ত এক ক্রীতদাসের .....” (নাহল (১৬) : ৭৫)। “তারা স্ত্রী লোকটির স্বামীকে দরজার কাছে পেল” (ইউসুফ (১২) : ২৫)। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, “তোমাদের ঈমানদার বাঁদীদের ......” (আন-নিসা (৪) : ২৫)। নবী (ﷺ) বলেন, তোমরা তোমাদের নেতার জন্য দাঁড়িয়ে যাও। “এবং তোমার প্রভুর নিকট আমার কথা বলবে” (ইউসুফ (১২) : ৪২)। অর্থাৎ, তোমার মনিবের নিকট।"

শরীকি ক্রীতদাস মুক্তির হাদিস: ন্যায্যমূল্য ও সম্পূর্ণ মুক্তির শিক্ষা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৫৫৩

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ «مَنْ أَعْتَقَ نَصِيبًا لَهُ مِنَ الْعَبْدِ، فَكَانَ لَهُ مِنَ الْمَالِ مَا يَبْلُغُ قِيمَتَهُ، يُقَوَّمُ عَلَيْهِ قِيمَةَ عَدْلٍ، وَأُعْتِقَ مِنْ مَالِهِ، وَإِلاَّ فَقَدْ عَتَقَ مِنْهُ»

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন, কেউ কোন (শরীকী) ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে এবং তার কাছে সেই ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ সম্পদ থাকলে তার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং তার সম্পদ থেকেই সেই ক্রীতদাস সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে যাবে, অন্যথায় সে যতটুকু মুক্ত করেছে ততটুকুই মুক্ত হবে।

সহীহ বুখারী হাদিস ২৫৫৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) শরীকি ক্রীতদাস মুক্তির একটি বিধান বলেছেন। যদি কেউ কোনো যৌথ মালিকানার ক্রীতদাস থেকে নিজের অংশ মুক্ত করে দেয় এবং তার কাছে ওই ক্রীতদাসের পূর্ণ মূল্য পরিমাণ সম্পদ থাকে, তাহলে ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা হবে। এরপর তার সম্পদ থেকে মূল্য দিয়ে ক্রীতদাসকে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হবে। আর যদি তার সেই সামর্থ্য না থাকে, তাহলে সে যতটুকু অংশ মুক্ত করেছে, ততটুকুই মুক্ত হবে। এখানে মূল বিষয় হলো দাসমুক্তি, অংশীদারিত্ব এবং ন্যায়ভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ। হাদিসটি দেখায়, মুক্তির কাজকে অসম্পূর্ণ অবস্থায় না রেখে সামর্থ্য থাকলে পূর্ণ মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে পুরো বিষয়টি হাদিসের নির্দিষ্ট ভাষার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে বোঝা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • শরীকি ক্রীতদাসের অংশ মুক্ত করলে সামর্থ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়।
  • ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের কথা হাদিসে এসেছে।
  • সামর্থ্য থাকলে সম্পূর্ণ মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়।
  • সামর্থ্য না থাকলে মুক্ত অংশটুকুই কার্যকর থাকে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন