৫১/৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৫৮০ - আয়েশা (রাঃ)-এর দিনে হাদিয়া পাঠানোর ঘটনা
সঙ্গীকে কোন হাদিয়া দেয়ার ক্ষেত্রে তার অন্য স্ত্রী ছেড়ে কোন স্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দিনের অপেক্ষা করা।
আয়েশা (রাঃ)-এর দিনে হাদিয়া: বর্ণনার সীমিত শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ২৫৮০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৫৮০
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ كَانَ النَّاسُ يَتَحَرَّوْنَ بِهَدَايَاهُمُ يَوْمِي. وَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ إِنَّ صَوَاحِبِي اجْتَمَعْنَ. فَذَكَرَتْ لَهُ، فَأَعْرَضَ عَنْهَا.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
লোকেরা তাদের হাদিয়া পাঠাবার ব্যাপারে আমার জন্য নির্ধারিত দিনের অপেক্ষা করত। উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, আমার সতীনগণ একত্রিত হলেন। ফলে উম্মু সালামা (রাঃ) বিষয়টি তাঁর নিকট উত্থাপন করলেন, কিন্তু তিনি ব্যাপারটি এড়িয়ে গেলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৫৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) বলেন, লোকেরা তাদের হাদিয়া পাঠানোর ক্ষেত্রে তাঁর দিনের অপেক্ষা করত। এরপর উম্মু সালামা (রাঃ)-এর কথা এসেছে। তিনি বলেন, তাঁর সতীনগণ একত্রিত হলেন এবং বিষয়টি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে উত্থাপন করা হলো। কিন্তু নবী (صلى الله عليه وسلم) বিষয়টি এড়িয়ে গেলেন। এই বর্ণনায় হাদিয়া পাঠানোর সময়, নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর ঘরের পালার দিন এবং সহধর্মিণীদের আলোচনার কথা আছে। এখানে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা বা অনুমান না করাই নিরাপদ। হাদিসটি সরাসরি এতটুকু শেখায় যে মানুষ আয়েশা (রাঃ)-এর দিনে হাদিয়া পাঠাতে আগ্রহ দেখাত এবং বিষয়টি উত্থাপিত হলেও নবী (صلى الله عليه وسلم) সে সময় তা নিয়ে কথা বাড়াননি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মানুষ নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-কে হাদিয়া পাঠাতে নির্দিষ্ট সময় বেছে নিত।
- আয়েশা (রাঃ)-এর দিনের প্রসঙ্গ বর্ণনায় স্পষ্টভাবে এসেছে।
- উম্মু সালামা (রাঃ) বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন।
- হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, ব্যাখ্যায় ততটুকু মানা উচিত।
