৫/২৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৯০ - রাতে গোসল ফরজ হলে করণীয়
জুনুবী উযু করে নিদ্রা যাবে।
রাতে গোসল ফরজ হলে কী করবেন: ওযু, ধোয়া, তারপর ঘুম
সহীহ বুখারী : ২৯০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৯০
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ ذَكَرَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَنَّهُ تُصِيبُهُ الْجَنَابَةُ مِنَ اللَّيْلِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «تَوَضَّأْ وَاغْسِلْ ذَكَرَكَ ثُمَّ نَمْ».
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ উমর ইব্নুল খাত্তাব (রাঃ) আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে বললেন, রাতে কোন সময় তাঁর গোসল ফরজ হয় (তখন কী করতে হবে?) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেনঃ ওজু করবে, লজ্জাস্থান ধুয়ে নিবে তারপর ঘুমাবে।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রাতে জানাবাত হলে করণীয়। উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে জানান যে, রাতে কোনো সময় তাঁর গোসল ফরজ হয়। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে বলেন, ওযু করবে, লজ্জাস্থান ধুয়ে নেবে, তারপর ঘুমাবে। এখানে তিনটি ধাপ খুব পরিষ্কারভাবে এসেছে। আগে ওযু, তারপর লজ্জাস্থান ধোয়া, এরপর ঘুম। এই বর্ণনা জানাবাত অবস্থায় ঘুমানোর আগের পরিচ্ছন্নতা আরও স্পষ্ট করে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, দ্বীনে পবিত্রতার নিয়ম আছে, আবার মানুষের প্রয়োজনের দিকও রাখা হয়েছে। তবে এই হাদিসে সালাতের আগে গোসলের বিধান নয়, ঘুমানোর আগের করণীয় বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতে গোসল ফরজ হলে ঘুমের আগে ওযু করার কথা এসেছে।
- লজ্জাস্থান ধোয়া পরিচ্ছন্নতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) সহজ ও পরিষ্কারভাবে করণীয় বলে দিয়েছেন।
- পবিত্রতার মাসআলায় বাস্তব জীবনের প্রয়োজন বিবেচিত হয়েছে।
