৫/২৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৯১ - মিলনের পর গোসল ফরজ
দুই লজ্জাস্থান পরস্পর মিলিত হলে।
স্বামী-স্ত্রীর মিলনের পর গোসল ফরজ: সহিহ হাদিসের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ২৯১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৯১
حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «إِذَا جَلَسَ بَيْنَ شُعَبِهَا الأَرْبَعِ ثُمَّ جَهَدَهَا، فَقَدْ وَجَبَ الْغَسْلُ». تَابَعَهُ عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ عَنْ شُعْبَةَ مِثْلَهُ. وَقَالَ مُوسَى حَدَّثَنَا أَبَانُ قَالَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ مِثْلَهُ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে তার সাথে সঙ্গত হলে, তার উপর গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। ‘আমর (রহঃ) শু‘বাহ্র সূত্রে এই হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মূসা (রহঃ) হাসান [বাসরী (রহঃ)]-এর সূত্রেও অনুরূপ বলেছেন।
আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেনঃ এটা উত্তম ও অধিকতর মজবুত। মতভেদের কারণে আমরা অন্য হাদীসটিও বর্ণনা করেছি, গোসল করাই অধিকতর সাবধানতা।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো মিলনের পর গোসল ফরজ হওয়া। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে তার সঙ্গে সঙ্গত হলে তার উপর গোসল ফরজ হয়ে যায়। বর্ণনার শেষে ইমাম বুখারী (রহঃ)-এর মন্তব্যও এসেছে যে, গোসল করাই অধিক সাবধানতার বিষয়। এখানে হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, দাম্পত্য মিলনের পরে পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসল জরুরি। এই বিষয়টি লজ্জার হলেও দ্বীনের প্রয়োজনীয় মাসআলা, তাই পরিষ্কারভাবে জানা দরকার। ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কথা যোগ না করে বলা যায়, স্বামী-স্ত্রীর মিলনের পর ফরজ গোসলের গুরুত্ব এই হাদিসে সরাসরি এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্বামী-স্ত্রীর সঙ্গত হলে গোসল ফরজ হওয়ার কথা এসেছে।
- পবিত্রতার মাসআলা লজ্জার কারণে অজানা রাখা উচিত নয়।
- ইবাদতের আগে জানাবাত থেকে পবিত্র হওয়া দরকার।
- মতভেদের জায়গায় সাবধানতা হিসেবে গোসলের কথা উল্লেখ হয়েছে।
