৬/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৩০০ - হায়েজ অবস্থায় ইযার পরে মিশামিশি
হায়েয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সংস্পর্শ করা।
হায়েজ অবস্থায় ইযার পরে মিশামিশি: শালীনতার সহজ শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৩০০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩০০
وَكَانَ يَأْمُرُنِي فَأَتَّزِرُ، فَيُبَاشِرُنِي وَأَنَا حَائِضٌ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এবং তিনি আমাকে নির্দেশ দিলে আমি ইযার পরে নিতাম, আমার হায়েয অবস্থায় তিনি আমার সাথে মিশামিশি করতেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৩০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো হায়েজ অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর সীমিত মিশামিশি। আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে নির্দেশ দিলে তিনি ইযার পরে নিতেন, এরপর হায়েজ অবস্থায় নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁর সঙ্গে মিশামিশি করতেন। এখানে খুব স্পষ্টভাবে ইযারের কথা এসেছে। তাই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, হায়েজ অবস্থায় স্ত্রীকে সম্পূর্ণ দূরে রাখা নয়; বরং শালীন সীমা রেখে স্বাভাবিক ঘনিষ্ঠতা থাকতে পারে। একই সঙ্গে এই বর্ণনা সীমার কথাও শেখায়, কারণ ইযার পরার নির্দেশ উল্লেখ করা হয়েছে। তাই হায়েজ অবস্থার মাসআলা বুঝতে হলে একদিকে সহজতা, অন্যদিকে শালীনতা—দুটোই ধরে রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েজ অবস্থায় ইযার পরে মিশামিশির বর্ণনা এসেছে।
- স্ত্রীকে হায়েজের কারণে পুরোপুরি দূরে সরানো হয়নি।
- শালীন সীমা রক্ষা করা এই বর্ণনার গুরুত্বপূর্ণ দিক।
- স্বামী-স্ত্রীর আচরণে সহজতা ও সংযম দুটোই দরকার।
