৬/৬. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৩০৩ - হায়েজে ইযার ও সংযমের শিক্ষা

হায়েয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সংস্পর্শ করা।

হায়েজ অবস্থায় ইযার পরার হাদিস ও মূল শিক্ষা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩০৩

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، قَالَ حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ، قَالَ سَمِعْتُ مَيْمُونَةَ، كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُبَاشِرَ امْرَأَةً مِنْ نِسَائِهِ أَمَرَهَا فَاتَّزَرَتْ وَهْىَ حَائِضٌ.وَرَوَاهُ سُفْيَانُ عَنِ الشَّيْبَانِيِّ.

মায়মূনাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) তাঁর কোন স্ত্রীর সাথে হায়েয অবস্থায় মিশামিশি করতে চাইলে তাঁকে ইযার পরতে বলতেন। শায়বানী (রহঃ) হতে সুফিয়ান (রহঃ) এ বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারী হাদিস ৩০৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে মাইমূনা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) তাঁর কোনো স্ত্রীর সঙ্গে হায়েজ অবস্থায় মিশামিশি করতে চাইলে তাকে ইযার পরতে বলতেন। বিষয়টি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা পরিষ্কার। হায়েজ অবস্থায় দাম্পত্য সম্পর্কের আচরণে শালীনতা, সীমা ও সাবধানতা রাখা দরকার। একই ধরনের শিক্ষা আগের বর্ণনাতেও এসেছে, তবে এই হাদিসে মাইমূনা (রাঃ)-এর বর্ণনা হিসেবে একই আমলের আরেকটি দিক জানা যায়। ব্যাখ্যায় শুধু হাদিসের কথাতেই থাকা জরুরি; এখানে গোসল, সালাত বা অন্য কোনো আলাদা বিধান আলোচিত হয়নি। তাই এই হাদিসকে মূলত হায়েজে ইযার, সংযম এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর দাম্পত্য আদবের আলোকে বুঝতে হবে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হায়েজ অবস্থায় শালীনতা রক্ষার জন্য ইযার পরার কথা এসেছে।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আচরণে সীমা মানা ও সংযমের শিক্ষা আছে।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিস হলেও এর মূল বার্তা স্পষ্ট ও ব্যবহারিক।
  • হাদিসে যা বলা হয়েছে, ব্যাখ্যা সেটির মধ্যেই রাখা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন