৬/১১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৩১০ - ইসতিহাযা অবস্থায় সালাত ও ইতিকাফ
মুস্তাহাযা‘র ইতিকাফ।
ইসতিহাযা অবস্থায় সালাত ও ইতিকাফের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৩১০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩১০
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتِ اعْتَكَفَتْ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ امْرَأَةٌ مِنْ أَزْوَاجِهِ، فَكَانَتْ تَرَى الدَّمَ وَالصُّفْرَةَ، وَالطَّسْتُ تَحْتَهَا وَهْىَ تُصَلِّي.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে তাঁর কোন একজন স্ত্রী ইতিকাফ করেছিলেন। তিনি রক্ত ও হলদে পানি বের হতে দেখতেন আর তাঁর নীচে একটা পাত্র বসিয়ে রাখতেন এবং সে অবস্থায় সালাত আদায় করতেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৩১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে তাঁর একজন স্ত্রী ইতিকাফ করেছিলেন। তিনি রক্ত ও হলদে পানি বের হতে দেখতেন। তাঁর নিচে একটি পাত্র রাখা থাকত এবং তিনি সে অবস্থায় সালাত আদায় করতেন। এই বর্ণনা ইসতিহাযা অবস্থায় ইবাদতের একটি বাস্তব ছবি তুলে ধরে। হাদিসে হায়েজ বলা হয়নি; বরং রক্ত ও হলদে স্রাবের কথা এসেছে, এবং তিনি সালাত আদায় করতেন। তাই মূল শিক্ষা হলো, ইসতিহাযা ও হায়েজের বিধান আলাদা বুঝতে হবে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতার জন্য পাত্র রাখার কথাও আছে। যারা “ইসতিহাযা অবস্থায় নামাজ” বা “মুস্তাহাযা সালাত” খোঁজেন, এই হাদিস তাদের জন্য খুব প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসতিহাযা অবস্থায় সালাত আদায়ের বর্ণনা এই হাদিসে এসেছে।
- রক্ত বা হলদে স্রাব হলে পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
- ইতিকাফের সময়ও বাস্তব সমস্যার সমাধান রাখা হয়েছে।
- হায়েজ ও ইসতিহাযার পার্থক্য জানা ইবাদতের জন্য জরুরি।
