৬৪/৩১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪১২৩ - হাসসান (রাঃ)-এর কবিতার মাধ্যমে জবাব
আহযাব নবী (ﷺ)-এর প্রত্যাবর্তন এবং তাঁর বনু কুরাইযাহ অভিযান ও তাদের অবরোধ
কবিতার মাধ্যমে সত্যের জবাব: হাসসান (রাঃ)-এর শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৪১২৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪১২৩
الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ قَالَ أَخْبَرَنِيْ عَدِيٌّ أَنَّهُ سَمِعَ الْبَرَاءَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ لِحَسَّانَ اهْجُهُمْ أَوْ هَاجِهِمْ وَجِبْرِيْلُ مَعَكَ
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বারাআ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, নবী (ﷺ) হাস্সান (রাঃ)-কে বলছেন, কবিতার দ্বারা তাদের (কাফিরদের) দোষত্রুটি বর্ণনা কর অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) তাদের দোষত্রুটি বর্ণনা করার জবাব দাও। জিবরীল (আঃ) তোমার সঙ্গে থাকবেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪১২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم হাসসান (রাঃ)-কে বলেন, কবিতার মাধ্যমে কাফিরদের দোষত্রুটি বর্ণনা করতে বা তাদের কথার জবাব দিতে। সঙ্গে আরও বলা হয়েছে, জিবরীল (আঃ) তাঁর সঙ্গে থাকবেন। হাদিসটির কেন্দ্রীয় বিষয় হলো কবিতা, ভাষা এবং সত্যের পক্ষে জবাব। এখানে কবিতাকে বিনোদনের সাধারণ বিষয় হিসেবে নয়, বরং শত্রুর আক্রমণ বা দোষারোপের জবাব দেওয়ার একটি উপায় হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তবে এই হাদিস থেকে সীমাহীন ভাষা ব্যবহার বা অন্যায়ভাবে কাউকে আঘাত করার অনুমতি বের করা ঠিক নয়। হাদিসে নির্দিষ্ট অবস্থায় হাসসান (রাঃ)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই সহজভাবে বলা যায়, মুমিনের কথা, লেখা এবং কবিতা সত্যের পক্ষে হলে তা মূল্যবান হতে পারে। কথার শক্তি আছে; সেটি সঠিক জায়গায় ব্যবহার করতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভাষা ও কবিতা সত্যের পক্ষে জবাব দেওয়ার উপায় হতে পারে।
- কথা বলার সময় উদ্দেশ্য ও অবস্থার গুরুত্ব আছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم হাসসান (রাঃ)-কে নির্দিষ্ট অবস্থায় জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
- সত্যের পক্ষে কথা বললেও সীমা ও আদব বজায় রাখা দরকার।
