৬৪/৩২. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৪১৩৩ - নাজদে সালাতুল খাওফের পদ্ধতি

যাতুর রিকা যুদ্ধ

وَهِيَ غَزْوَةُ مُحَارِبِ خَصَفَةَ مِنْ بَنِي ثَعْلَبَةَ مِنْ غَطَفَانَ فَنَزَلَ نَخْلًا وَهِيَ بَعْدَ خَيْبَرَ لِأَنَّ أَبَا مُوسَى جَاءَ بَعْدَ خَيْبَرَ.গাতফানের শাখা গোত্র বনূ সালাবার অন্তর্ভুক্ত খাসাফার বংশধর মুহারিব গোত্রের সঙ্গে এ যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নাখলা নামক স্থানে অবতরণ করেছিলেন। খায়বার যুদ্ধের পর এ যুদ্ধ হয়েছিল। কেননা আবূ মূসা (রাঃ) খায়বার যুদ্ধের পর (হাবশা থেকে) এসেছিলেন।"

নাজদে সালাতুল খাওফ: পালাক্রমে নামাজ ও পাহারা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪১৩৩

مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَزِيْدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيْهِ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ صَلَّى بِإِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ وَالطَّائِفَةُ الْأُخْرَى مُوَاجِهَةُ الْعَدُوِّ ثُمَّ انْصَرَفُوْا فَقَامُوْا فِيْ مَقَامِ أَصْحَابِهِمْ أُوْلَئِكَ فَجَاءَ أُوْلَئِكَ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ عَلَيْهِمْ ثُمَّ قَامَ هَؤُلَاءِ فَقَضَوْا رَكْعَتَهُمْ وَقَامَ هَؤُلَاءِ فَقَضَوْا رَكْعَتَهُمْ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদল সঙ্গে নিয়ে সালাত আদায় করেছেন। অন্যদেরকে রেখেছেন শত্রুর মুকাবালায়। তারপর সালাতরত দলটি এক রাক’আত আদায় করে তাঁরা শত্রুর মুকাবালায় নিজ সাথীদের স্থানে চলে গেলেন। অতঃপর অন্য দলটি আসলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে নিয়ে এক রাক’আত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। এরপর এ দলটি দাঁড়িয়ে তাদের বাকি রাক’আতটি পূর্ণ করলেন এবং ঐ দলটিও দাঁড়িয়ে তাদের বাকি রাক’আতটি পূর্ণ করলেন।

সহীহ বুখারী হাদিস ৪১৩৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নাজদ অভিযানের সালাতুল খাওফের একটি পদ্ধতি এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এক দলকে সঙ্গে নিয়ে সালাত আদায় করলেন, আর অন্য দল শত্রুর মুখোমুখি থাকল। প্রথম দল এক রাকাত আদায় করে সঙ্গীদের স্থানে চলে গেল। এরপর দ্বিতীয় দল এল। নবী صلى الله عليه وسلم তাদের নিয়ে এক রাকাত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। পরে দুই দলই নিজেদের বাকি রাকাত পূর্ণ করল। এই হাদিসে সালাতুল খাওফের বাস্তব রূপ দেখা যায়—একদিকে জামাআত, অন্যদিকে পাহারা। বিপদের সময় সবাই একসঙ্গে একই জায়গায় দাঁড়ালে নিরাপত্তা কমে যেতে পারত; তাই পালাক্রমে সালাতের ব্যবস্থা করা হয়। এতে বোঝা যায়, ইসলাম ইবাদতকে গুরুত্ব দেয়, আবার বাস্তব নিরাপত্তাকেও উপেক্ষা করে না।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ভয় বা বিপদের অবস্থাতেও সালাতের গুরুত্ব বজায় থাকে।
  • সাহাবীরা নিরাপত্তা ও সালাত—দুই দিকই একসঙ্গে সামলেছেন।
  • নবী صلى الله عليه وسلم বাস্তব অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে জামাআতের ব্যবস্থা করেছেন।
  • শত্রুর মুখোমুখি অবস্থায়ও কাতার ও শৃঙ্খলার গুরুত্ব দেখা যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন