৬৪/৩২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪১৩২ - নাজদ অভিযানে শত্রুর সামনে কাতারবদ্ধ হওয়ার শিক্ষা
যাতুর রিকা যুদ্ধ
وَهِيَ غَزْوَةُ مُحَارِبِ خَصَفَةَ مِنْ بَنِي ثَعْلَبَةَ مِنْ غَطَفَانَ فَنَزَلَ نَخْلًا وَهِيَ بَعْدَ خَيْبَرَ لِأَنَّ أَبَا مُوسَى جَاءَ بَعْدَ خَيْبَرَ.গাতফানের শাখা গোত্র বনূ সালাবার অন্তর্ভুক্ত খাসাফার বংশধর মুহারিব গোত্রের সঙ্গে এ যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নাখলা নামক স্থানে অবতরণ করেছিলেন। খায়বার যুদ্ধের পর এ যুদ্ধ হয়েছিল। কেননা আবূ মূসা (রাঃ) খায়বার যুদ্ধের পর (হাবশা থেকে) এসেছিলেন।"
নাজদ অভিযানে কাতারবদ্ধতা: সতর্কতা ও শৃঙ্খলার শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৪১৩২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪১৩২
أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِيْ سَالِمٌ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ غَزَوْتُ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ ﷺ قِبَلَ نَجْدٍ فَوَازَيْنَا الْعَدُوَّ فَصَافَفْنَا لَهُمْ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে নাজ্দ এলাকায় যুদ্ধ করেছি। এ যুদ্ধে আমরা শত্রুদের মুকাবালা করেছিলাম এবং তাদের সম্মুখে কাতারে দাঁড়িয়েছিলাম।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪১৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে নাজদ এলাকায় যুদ্ধে অংশ নেন। সেখানে তারা শত্রুদের মুকাবিলা করেন এবং তাদের সামনে কাতারে দাঁড়ান। বর্ণনাটি ছোট হলেও এর শিক্ষা স্পষ্ট। বিপদের সময় এলোমেলো থাকা নয়; কাতার, শৃঙ্খলা এবং প্রস্তুতি দরকার। এখানে সালাতের বিস্তারিত পদ্ধতি বলা হয়নি, তবে পরের বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায় যে নাজদ অভিযানের কথার পাশে সালাতুল খাওফের বর্ণনাও এসেছে। তাই এই হাদিসের মূল দিক হলো যুদ্ধকালীন সতর্ক অবস্থান এবং দলগত শৃঙ্খলা। কোনো অতিরিক্ত যুদ্ধনীতি যোগ না করে বলা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে সাহাবীরা পরিস্থিতি বুঝে সারিবদ্ধ হতেন। ইসলামি জীবনে ইবাদত যেমন আছে, তেমনি বাস্তব সতর্কতারও গুরুত্ব আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিপদের সময় শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকা জরুরি।
- সাহাবীরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে কাতারবদ্ধ হয়ে শত্রুর মুখোমুখি হয়েছেন।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও বড় শিক্ষা দেয়—প্রস্তুতি ও সতর্কতা দরকার।
- দলগত কাজের ক্ষেত্রে অবস্থান ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ।
