৬৫/২১০. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৭২৩ - দু‘আতে স্বরের ভারসাম্য
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ আর স্বীয় সালাতের কিরাআত খুব উচ্চৈঃস্বরেও পড়বে না এবং খুব ক্ষীণ স্বরেও পড়বে না। (সূরা বনি ইসরাইল ১৭/১১০)
দু‘আতে উচ্চস্বরে নয়, ভারসাম্যপূর্ণ স্বরে চাওয়া
সহীহ বুখারী : ৪৭২৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৭২৩
طَلْقُ بْنُ غَنَّامٍ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ أُنْزِلَ ذَلِكَ فِي الدُّعَاءِ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
وَلاَ تَجْهَرْ بِصَلاَتِكَ وَلاَ تُخَافِتْ بِهَا এ আয়াতটি দোয়া সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৭২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, সালাতে স্বর খুব উঁচু করবে না এবং খুব নিচুও করবে না—এই আয়াতটি দু‘আ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। এখানে হাদিসের মূল বক্তব্য শুধু এটুকুই: দু‘আ করার সময় স্বরের ব্যাপারে ভারসাম্য রাখা দরকার। দু‘আ হলো বান্দার আল্লাহর কাছে চাওয়া। তাই এতে অযথা চিৎকার, দেখানো, বা এমন নিচু স্বর যা নিজের মনেও উপস্থিতি আনে না—এ দুটির মাঝামাঝি পথ ভালো। তবে এই হাদিস থেকে অতিরিক্ত কোনো নতুন নিয়ম বানানো উচিত নয়। যা সরাসরি এসেছে, তা হলো দু‘আতে স্বরের একটি সুন্দর আদব শেখানো হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দু‘আ করার সময় স্বরের মধ্যে ভারসাম্য রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব।
- অতিরিক্ত উচ্চস্বরে দু‘আ করা এই বর্ণনার আলোকে পছন্দনীয় নয়।
- দু‘আ এমন নিচু স্বরেও নয়, যাতে মনোযোগ নষ্ট হয়।
- আয়াতের ব্যাখ্যায় সাহাবীদের বর্ণনা বুঝতে সাহায্য করে।
