৮/৮৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৯২ - কাবার দিকে সালাতের স্থান
ইমামের সুতরা মুক্তাদীর জন্য যথেষ্ট।
কাবার দিকে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের নির্দিষ্ট স্থানের বর্ণনা
সহীহ বুখারী : ৪৯২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৯২
وَأَنَّ عَبْدَ اللَّهِ حَدَّثَهُ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ اسْتَقْبَلَ فُرْضَتَىِ الْجَبَلِ الَّذِي بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجَبَلِ الطَّوِيلِ نَحْوَ الْكَعْبَةِ، فَجَعَلَ الْمَسْجِدَ الَّذِي بُنِيَ ثَمَّ يَسَارَ الْمَسْجِدِ بِطَرَفِ الأَكَمَةِ، وَمُصَلَّى النَّبِيِّ ﷺ أَسْفَلَ مِنْهُ عَلَى الأَكَمَةِ السَّوْدَاءِ، تَدَعُ مِنَ الأَكَمَةِ عَشَرَةَ أَذْرُعٍ أَوْ نَحْوَهَا، ثُمَّ تُصَلِّي مُسْتَقْبِلَ الْفُرْضَتَيْنِ مِنَ الْجَبَلِ الَّذِي بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْكَعْبَةِ.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) পাহাড়ের দু’টো প্রবেশপথ সামনে রাখতেন যা তার ও দীর্ঘ পাহাড়ের মাঝখানে কা’বার দিকে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে যে মসজিদ নির্মিত হয়েছে, সেটিকে তিনি [ইব্নু উমর (রাঃ)] টিলার প্রান্তের মসজিদটির বাম পাশে রাখতেন। কিন্তু নবী (ﷺ)–এর সালাতের জায়গা ছিল এর নিচের কাল টিলার উপরে। এটি প্রথম টিলা হতে প্রায় দশ হাত দূরে। অতঃপর যে পাহাড়টি তোমার ও কা’বার মাঝখানে পড়বে তার দু’প্রবেশ দ্বারের দিকে মুখ করে তুমি সালাত আদায় করবে।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৯২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের একটি নির্দিষ্ট স্থান এবং কিবলার দিক বোঝানোর বর্ণনা এসেছে। বলা হয়েছে, তিনি কাবার দিকে থাকা পাহাড়ের দুটি প্রবেশপথ সামনে রাখতেন। সেখানে পরে যে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, ইবনু উমর (রাঃ) সেটিকে টিলার প্রান্তের মসজিদের বাম পাশে রাখতেন। কিন্তু নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আসল সালাতের স্থান ছিল তার নিচের কালো টিলার উপর। বর্ণনায় প্রায় দশ হাত দূরত্বের কথাও এসেছে। এরপর বলা হয়েছে, তোমার ও কাবার মাঝখানে যে পাহাড় পড়বে, তার দুটি প্রবেশপথের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করবে। এই হাদিসের মূল বিষয় কাবামুখী সালাতের স্থান নির্ধারণ। এখানে দিক, দূরত্ব ও স্থান—সবই পরিষ্কারভাবে সংরক্ষিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিবলার দিক নির্ধারণে স্থান ও দিকের বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আসল সালাতের স্থান ও পরে নির্মিত স্থানের পার্থক্য বলা হয়েছে।
- ইবনু উমর (রাঃ) স্থান চেনাতে দূরত্বের কথাও উল্লেখ করেছেন।
- হাদিসে যে তথ্য আছে, ব্যাখ্যায় সেটিই ধরে রাখা উচিত।
