১০/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৬১৫ - আজান, প্রথম কাতার ও জামাতের ফজিলত
আজানের ব্যাপারে কুরআহর মাধ্যমে নির্বাচন।
وَيُذْكَرُ أَنَّ أَقْوَامًا اخْتَلَفُوا فِي الْأَذَانِ فَأَقْرَعَ بَيْنَهُمْ سَعْدٌ.উল্লেখ করা হয়েছে যে, একদল লোক আযান দেয়ার ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করল। সা‘দ (রাঃ) তাঁদের মধ্যে কুর‘আর (লটারী) মাধ্যমে নির্বাচন করলেন।"
আজান ও প্রথম কাতারের ফজিলত: জামাতের দিকে আগ্রহ
সহীহ বুখারী : ৬১৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬১৫
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي النِّدَاءِ وَالصَّفِّ الأَوَّلِ، ثُمَّ لَمْ يَجِدُوا إِلاَّ أَنْ يَسْتَهِمُوا عَلَيْهِ لاَسْتَهَمُوا، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِي التَّهْجِيرِ لاَسْتَبَقُوا إِلَيْهِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِي الْعَتَمَةِ وَالصُّبْحِ لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ আযানে ও প্রথম কাতারে কী (ফযীলত) রয়েছে, তা যদি লোকেরা জানত, কুরআহর মাধ্যমে বাছাই ব্যতীত এ সুযোগ লাভ করা যদি সম্ভব না হত, তাহলে অবশ্যই তারা কুরআহর মাধ্যমে ফয়সালা করত। যুহরের সালাত আউয়াল ওয়াক্তে আদায় করার মধ্যে কী (ফযীলত) রয়েছে, যদি তারা জানত, তাহলে তারা এর জন্য প্রতিযোগিতা করত। আর ইশা ও ফজরের সালাত (জামা’আতে) আদায়ের কী ফযীলত তা যদি তারা জানত, তাহলে নিঃসন্দেহে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা হাজির হত।
সহীহ বুখারী হাদিস ৬১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূল صلى الله عليه وسلم আজান, প্রথম কাতার, আউয়াল ওয়াক্ত এবং ইশা-ফজরের জামাতের ফজিলত বুঝিয়েছেন। তিনি বলেন, মানুষ যদি আজান ও প্রথম কাতারের ফজিলত জানত, আর তা পেতে কুরআ বা লটারির মতো বাছাই ছাড়া উপায় না থাকত, তবে তারা তা করত। যুহরের সালাত আউয়াল ওয়াক্তে আদায়ের ফজিলত জানলে তারা প্রতিযোগিতা করত। আর ইশা ও ফজরের জামাতের ফজিলত জানলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও হাজির হত। হাদিসের ভাষা উৎসাহমূলক। এখানে মূল বার্তা হলো, সালাতকে হালকা না নেওয়া, জামাতের মূল্য বোঝা এবং ভালো কাজে আগ্রহী হওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আজান ও প্রথম কাতারের মর্যাদা বড়।
- সালাত আউয়াল ওয়াক্তে আদায়ের প্রতি আগ্রহ থাকা উচিত।
- ইশা ও ফজরের জামাতকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।
