১০/১৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৬২৪ - আযান ও ইকামতের মাঝে নফল সালাত
আজান ও ইকামাতের মধ্যে পার্থক্য কতটুকু।
আযান ও ইকামতের মাঝে সালাত: নফল ইবাদতের সুন্দর সুযোগ
সহীহ বুখারী : ৬২৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬২৪
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الْوَاسِطِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ الْمُزَنِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ ـ ثَلاَثًا ـ لِمَنْ شَاءَ ".
‘আবদুল্লাহ ইব্নু মুগাফ্ফাল মুযানী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রত্যেক আজান ও ইকামাতের মধ্যে সালাত রয়েছে। একথা তিনি তিনবার বললেন, (তারপর বলেন) যে চায় তার জন্য।
সহীহ বুখারী হাদিস ৬২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আযান ও ইকামতের মাঝের সময়কে নফল সালাতের সুযোগ হিসেবে দেখানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, প্রত্যেক আযান ও ইকামতের মধ্যে সালাত আছে। তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন, তারপর বলেছেন, যে চায় তার জন্য। এখানে মূল বিষয় হলো নফল সালাত এবং ইচ্ছাকৃত অতিরিক্ত ইবাদত। হাদিসটি বোঝায়, ফরজ সালাতের আগে যে সামান্য সময় থাকে, তা অবহেলার সময় নয়। কেউ চাইলে সেই সময়ে দুই রাকাত বা নফল সালাত আদায় করতে পারে। তবে নবী (صلى الله عليه وسلم) “যে চায়” বলে বিষয়টি সহজ রেখেছেন। তাই এটিকে বাধ্যতামূলক করে দেখানো ঠিক নয়। বরং এটি আযান ও ইকামতের মাঝের সময়কে কাজে লাগানোর একটি সুন্দর শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযান ও ইকামতের মাঝে নফল সালাতের সুযোগ আছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) তিনবার বলে বিষয়টির গুরুত্ব বুঝিয়েছেন।
- “যে চায়” কথাটি থেকে বোঝা যায় এটি ইচ্ছুক ব্যক্তির জন্য।
- ফরজ সালাতের আগের সময় ইবাদতে কাজে লাগানো যায়।
