১০/১৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৬২৩ - সাহরী ও ফজরের আযানের সঠিক বুঝ
ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে আজান দেয়া।
সাহরী ও ফজরের আযান: কোন আযানে পানাহার বন্ধ হবে
সহীহ বুখারী : ৬২৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬২৩
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ حَدَّثَنَا عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ،. وَعَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ. حوَحَدَّثَنِي يُوسُفُ بْنُ عِيسَى الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا الْفَضْلُ، قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ قَالَ " إِنَّ بِلاَلاً يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ، فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ ".
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আজান দিয়ে থাকেন। কাজেই, ইব্নু উম্মু মাকতূম (রাঃ) যতক্ষণ আজান না দেয়, ততক্ষণ তোমরা (সাহারী) পানাহার করতে পার।
সহীহ বুখারী হাদিস ৬২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার মতোই সাহরীর সময় নিয়ে একটি পরিষ্কার নিয়ম জানায়। বিলাল (রাঃ) রাতের বেলায় আযান দিতেন। সেই আযান শুনে কেউ যেন মনে না করে যে সাহরী শেষ হয়ে গেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ) আযান না দেওয়া পর্যন্ত খাওয়া ও পান করা যায়। তাই এখানে মূল বিষয় হলো সাহরী, ফজর আযান এবং সময়ের সঠিক বুঝ। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইবাদতে অনুমান নয়, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশিত সময় মেনে চলতে হবে। রোজাদারের জন্য সাহরী গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রস্তুতি; কিন্তু কখন তা শেষ হবে, সেটিও স্পষ্টভাবে জানা দরকার। এই বর্ণনায় কোনো বাড়তি দাবি নেই, বরং শুধু আযানের সময় ও সাহরীর অনুমতির সীমা তুলে ধরা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলাল (রাঃ)-এর আযান ছিল রাত থাকতে, তাই তা সাহরীর শেষ সময় নয়।
- ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ)-এর আযান পর্যন্ত পানাহারের অনুমতি ছিল।
- রোজার বিষয়ে সঠিক সময় জানা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- আযানের উদ্দেশ্য বুঝে আমল করা দরকার।
