১০/১০৪. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৭৭১ - সালাতের সময় ও ফজরের কিরাআত

ফজরের সালাতে কিরাআত।

وَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ قَرَأَ النَّبِيُّ ﷺ بِـ ﴾الطُّورِ﴿.উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) সূরা তূর পড়েছেন।"

সালাতের সময় ও ফজরের কিরাআত: নবী صلى الله عليه وسلم-এর দৈনিক আমল

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭৭১

حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سَيَّارُ بْنُ سَلاَمَةَ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَأَبِي، عَلَى أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ فَسَأَلْنَاهُ عَنْ وَقْتِ الصَّلَوَاتِ، فَقَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يُصَلِّي الظُّهْرَ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ، وَالْعَصْرَ وَيَرْجِعُ الرَّجُلُ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ، وَنَسِيتُ مَا قَالَ فِي الْمَغْرِبِ، وَلاَ يُبَالِي بِتَأْخِيرِ الْعِشَاءِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ وَلاَ يُحِبُّ النَّوْمَ قَبْلَهَا، وَلاَ الْحَدِيثَ بَعْدَهَا، وَيُصَلِّي الصُّبْحَ فَيَنْصَرِفُ الرَّجُلُ فَيَعْرِفُ جَلِيسَهُ، وَكَانَ يَقْرَأُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ أَوْ إِحْدَاهُمَا مَا بَيْنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ.

সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি ও আমার পিতা আবূ বারযা আসলামী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে সালাতসমূহের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (ﷺ) যুহরের সালাত সূর্য ঢলে গেলেই আদায় করতেন। আর আসর (এমন সময় যে, সালাতের শেষে) কোন ব্যক্তি সূর্য সতেজ থাকাবস্থায় মদীনার প্রান্তে ফিরে আসতে পারতো।মাগরিব সম্পর্কে তিনি কী বলেছিলেন, তা আমি ভুলে গেছি। আর তিনি রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত ইশা বিলম্ব করতে কোন দ্বিধা করতেন না এবং ইশার পূর্বে ঘুমানো ও পরে কথাবার্তা বলা তিনি পছন্দ করতেন না। আর তিনি ফজর আদায় করতেন এমন সময় যে, সালাত শেষে ফিরে যেতে লোকেরা তার পার্শ্ববর্তী ব্যক্তিকে চিনতে পারতো। এর দু’ রাক‘আতে অথবা রাবী বলেছেন, এক রাক‘আতে তিনি ষাট থেকে একশ’ আয়াত পাঠ করতেন।

সহীহ বুখারী হাদিস ৭৭১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে একসঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এসেছে: যুহর, আসর, ইশা ও ফজরের সময় এবং ফজরের কিরাআত। আবু বরযা আসলামী (রাঃ) জানান, নবী صلى الله عليه وسلم সূর্য ঢলে গেলে যুহর পড়তেন। আসর এমন সময়ে পড়তেন যে মানুষ সূর্য সতেজ থাকতেই মদিনার দূর প্রান্তে ফিরতে পারত। ইশা রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করতেও তিনি দ্বিধা করতেন না। ইশার আগে ঘুমানো এবং পরে কথাবার্তা বলা তিনি পছন্দ করতেন না। ফজর শেষে মানুষ পাশের ব্যক্তিকে চিনতে পারত। ফজরের দুই রাকাতে বা এক রাকাতে ষাট থেকে একশ আয়াত পড়তেন। সালাতের সময়সূচি ও কিরাআত বোঝার জন্য এটি খুব সমৃদ্ধ হাদিস।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী صلى الله عليه وسلم সালাতগুলো নির্দিষ্ট সময়ের প্রতি যত্ন রেখে আদায় করতেন।
  • ইশা কখনো রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করা হয়েছে।
  • ইশার আগে ঘুমানো ও পরে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা অপছন্দ করা হয়েছে।
  • ফজরের সালাতে তুলনামূলক দীর্ঘ কিরাআতের বর্ণনা এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন