১০/১৪০. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৮১৯ - সালাতের সময়, আজান ও ইমামত
দুই সিজদার মধ্যে অপেক্ষা করা।
আজান ও ইমামত: পরিবারে ফিরে সালাত কায়েমের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৮১৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৮১৯
قَالَ فَأَتَيْنَا النَّبِيَّ ﷺ فَأَقَمْنَا عِنْدَهُ فَقَالَ لَوْ رَجَعْتُمْ إِلَى أَهْلِيكُمْ صَلُّوا صَلاَةَ كَذَا فِي حِينِ كَذَا صَلُّوا صَلاَةَ كَذَا فِي حِينِ كَذَا فَإِذَا حَضَرَتْ الصَّلاَةُ فَلْيُؤَذِّنْ أَحَدُكُمْ وَلْيَؤُمَّكُمْ أَكْبَرُكُمْ.
মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে কিছুদিন অবস্থান করলাম। তিনি আমাদের বললেন, তোমরা তোমাদের পরিবার পরিজনদের মধ্যে ফিরে যাবার পর অমুক সালাত অমুক সময়, অমুক সালাত অমুক সময় আদায় করবে। সময় হলে তোমাদের কেউ আযান দেবে এবং তোমাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ইমামাত করবে।
সহীহ বুখারী হাদিস ৮১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি সহজ কিন্তু গভীর নির্দেশ এসেছে। কিছু লোক তাঁর কাছে এসে কিছুদিন অবস্থান করল। এরপর তিনি তাদের বললেন, তারা যখন পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে যাবে, তখন অমুক সালাত অমুক সময়ে, অমুক সালাত অমুক সময়ে আদায় করবে। সালাতের সময় হলে তাদের একজন আজান দেবে এবং তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ইমামত করবে। এই হাদিসে তিনটি বিষয় স্পষ্ট: সালাত সময়মতো আদায়, জামাতে সালাতের জন্য আজান এবং ইমাম নির্বাচন। এখানে বয়োজ্যেষ্ঠের ইমামতের কথা এসেছে এই নির্দিষ্ট বর্ণনার মধ্যে। যারা সালাতের সময়, আজান ও ইমামতের নিয়ম জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব সরাসরি শিক্ষা দেয়। এতে পরিবারে ফিরে দ্বীন শেখানো ও সালাতের নিয়ম চালু রাখার কথাও বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করার নির্দেশ এসেছে।
- সালাতের সময় হলে একজন আজান দেবে—এ কথা বলা হয়েছে।
- এই বর্ণনায় বয়োজ্যেষ্ঠকে ইমামত করতে বলা হয়েছে।
- পরিবারে ফিরে সালাতের শিক্ষা চালু রাখার দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়।
