৯/২. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১১৯১ - কাসামার বিচারপদ্ধতি
রক্তপণের দাবী এবং প্রমাণ না থাকলে কসম - কাসামাতের বিধান জাহিলিয়্যাতের যুগেও ছিল
কাসামার বিধান: আনসারী হত্যার ঘটনায় নববী বিচার
বুলুগুল মারাম : ১১৯১
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১১৯১
وَعَنْ رَجُلٍ مِنْ الْأَنْصَارِ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - ﷺ - أَقَرَّ الْقَسَامَةَ عَلَى مَا كَانَتْ عَلَيْهِ فِي الْجَاهِلِيَّةِ, وَقَضَى بِهَا رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ - بَيْنَ نَاسٍ مِنَ الْأَنْصَارِ فِي قَتِيلٍ ادَّعَوْهُ عَلَى الْيَهُودِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আনসারী (সাহাবী) (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাসামা নামক প্রাক-ইসলামিক বিচারপদ্ধতিকে সাব্যস্ত করেছিলেন এবং আনসারী সাহাবীর একটা খুনের দায়ে অভিযুক্ত ইয়াহুদী আসামীদের মধ্যে সে মতে বিচার করেছিলেন। [১২৯৮]
[১২৯৮] মুসলিম ১৬৭০, নাসায়ী ৪৭০৭,৪৭০৮, আহমাদ ১৬১৬২,২২৬৭৬,২৩১৫৬।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১১৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কাসামা নামক বিচারপদ্ধতির কথা এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাসামাকে আগের মতো বহাল রেখেছিলেন এবং আনসারদের এক হত্যাকাণ্ডে, যেখানে ইয়াহূদীদের বিরুদ্ধে দাবি করা হয়েছিল, সে অনুযায়ী বিচার করেছিলেন। এখানে মূল কীওয়ার্ড হলো “কাসামার বিধান”, “হত্যার বিচার”, “কসমের বিচারপদ্ধতি”। এই টেক্সট খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে গিয়ে দীর্ঘ ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না। শুধু বলা যায়, হত্যা-দাবির মতো গুরুতর বিষয়ে বিচার ছিল নিয়মভিত্তিক; অভিযোগ শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়া, দাবি যাচাই করা এবং কসমের পদ্ধতি ব্যবহারের বিষয় এতে এসেছে। ১১৯০ নম্বর দীর্ঘ বর্ণনার সঙ্গে এটি ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত, কিন্তু এখানে মূল ফোকাস হলো কাসামা পদ্ধতি স্বীকৃত হওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাসামা বিচারপদ্ধতির কথা সরাসরি এসেছে।
- হত্যার দাবিতে নিয়মভিত্তিক বিচার জরুরি।
- অভিযোগের সঙ্গে কসম ও বিচারিক প্রক্রিয়া যুক্ত হয়েছে।
