১১/০. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২৮৭ - বদরের বন্দী ও সুপারিশের মর্যাদা
মুক্তিপণ ছাড়াই বন্দীকে মুক্ত করা জায়েয
বদরের বন্দী ও মুতয়িম ইবনু আদীর সম্মানের হাদিস
বুলুগুল মারাম : ১২৮৭
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১২৮৭
وَعَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعَمٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - ﷺ - قَالَ فِي أُسَارَى بَدْرٍ: «لَوْ كَانَ الْمُطْعِمُ بْنُ عَدِيٍّ حَيًّا, ثُمَّ كَلَّمَنِي فِي هَؤُلَاءِ النَّتْنَى لَتَرَكْتُهُمْ لَهُ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
জুবাইর ইব্নু মুতয়িম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বদরের যুদ্ধ বন্দীদের ব্যাপারে বলেন, ‘যদি মুতয়িম ইবনু আদী জীবিত থাকতেন আর আমার নিকট এ সকল নোংরা লোকের জন্য সুপারিশ করতেন, তবে আমি তার সম্মানার্থে এদের মুক্ত করে দিতাম। [১৩৯৩]
[১৩৯৩] বুখারী ৪০২৪, ৩১৩৯, আবু দাউদ ২৬৮৯, আহমাদ ২৭৫০৬।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১২৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বদরের যুদ্ধবন্দীদের প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যদি মুতয়িম ইবনু আদী জীবিত থাকতেন এবং তিনি এসব বন্দীর জন্য সুপারিশ করতেন, তবে তাঁর সম্মানার্থে তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বর্ণনায় বন্দীদের সম্পর্কে কঠোর শব্দ এসেছে, তবে একই সঙ্গে একজন মানুষের পূর্বের সম্মান বা অবস্থানের প্রতি নবীজির মূল্যায়নও বোঝা যায়। এখানে মূল বিষয় হলো, যুদ্ধবন্দীর বিষয়ে নবীজি শুধু কঠোরতা নয়, সুপারিশ ও সম্মানের দিকও বিবেচনায় আনতে পারতেন। তবে এটি একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির সম্মান ও নির্দিষ্ট বন্দীদের প্রসঙ্গেই বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সৎ অবস্থান বা সম্মান কখনও সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
- যুদ্ধবন্দীর বিষয়ে নবীজির কথায় ছাড়ের সম্ভাবনাও এসেছে।
- কোনো ব্যক্তির ভালো দিক ভুলে না যাওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- হাদিসটি বদরের বন্দীদের নির্দিষ্ট ঘটনার সাথে যুক্ত।
