১২/০. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩২৩ - খরগোশের গোশত খাওয়ার বিধান
খরগোশ খাওয়ার বৈধতা
খরগোশের গোশত খাওয়ার বিধান: নবীজির গ্রহণ করার ঘটনা
বুলুগুল মারাম : ১৩২৩
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৩২৩
وَعَنْ أَنَسٍ - فِي قِصَّةِ الْأَرْنَبِ - قَالَ: فَذَبَحَهَا, فَبَعَثَ بِوَرِكِهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ - ﷺ - فَقَبِلَهُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তা যবেহ করে তার একটি রান রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকটে পাঠালে তিনি তা গ্রহণ করেছিলেন। [১৪৩০]
তিনি বলেন, তা যবেহ করে তার একটি রান রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকটে পাঠালে তিনি তা গ্রহণ করেছিলেন। [১৪৩০]
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খরগোশ সম্পর্কিত একটি ঘটনা এসেছে। আনাস (রাঃ)-এর বর্ণনায় বলা হয়েছে, খরগোশটি যবেহ করা হয় এবং তার একটি রান রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পাঠানো হয়। তিনি সেটি গ্রহণ করেছিলেন। এই গ্রহণ করাই হাদিসটির মূল শিক্ষা। এখানে হাদিসে খরগোশ নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা নেই, তবে নবীজির গ্রহণ করা বিষয়টি খরগোশের গোশত খাওয়ার বৈধতা বোঝাতে গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এখানে যবেহ করার কথাও এসেছে, তাই হালাল খাদ্যের ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতির গুরুত্বও বোঝা যায়। ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কোনো দাবি না করে বলা যায়, এই হাদিস খরগোশ খাওয়ার বিধান বুঝতে সরাসরি সহায়ক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খরগোশ যবেহ করার পর নবীজি তা গ্রহণ করেছেন।
- খাদ্য গ্রহণের আগে যবেহের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
- হালাল-হারাম বুঝতে নবীজির কাজ ও অনুমোদন গুরুত্ব রাখে।
