১২/০. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩২৫ - হায়েনা শিকার ও খাওয়ার বিধান
হায়েনা খাওয়ার বিধান
হায়েনা খাওয়ার বিধান: শিকার হিসেবে হাদিসের নির্দেশনা
বুলুগুল মারাম : ১৩২৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৩২৫
وَعَنِ ابْنِ أَبِي عَمَّارٍ قَالَ: قُلْتُ لِجَابِرٍ: الضَّبُعُ صَيْدٌ هِيَ قَالَ: نَعَمْ. قُلْتُ: قَالَهُ رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ - قَالَ: نَعَمْ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةَ وَصَحَّحَهُ الْبُخَارِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ
ইবনু আবী আম্মার (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি জাবির (রাঃ) কে বললাম, হায়েনা কি হালাল শিকার? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি তা বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। [১৪৩২]
১৪৩২. আবু দাউদ ২৭৯৯, নাসায়ী ৪৩৮৩, ৪৩৮৪, ইবনু মাজাহ ৩১৪০।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হায়েনা বা ‘দাবু’ সম্পর্কে একটি প্রশ্নোত্তর এসেছে। ইবনু আবী আম্মার জাবির (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, হায়েনা কি হালাল শিকার? জাবির (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি আরও জিজ্ঞেস করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তা বলেছেন? জাবির (রাঃ) আবার বলেন, হ্যাঁ। তাই এই হাদিসে মূল বিষয় হলো—হায়েনাকে শিকার হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এখানে প্রশ্নকারী নিশ্চিত হতে চেয়েছেন, এটি ব্যক্তিগত মত নয় বরং নবীজির কথার সঙ্গে যুক্ত কি না। এতে বোঝা যায়, খাদ্য ও শিকার বিষয়ে সাহাবীরা সরাসরি নবীজির নির্দেশনার ভিত্তি খুঁজতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েনাকে হাদিসে শিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- খাদ্য বিষয়ে সাহাবীরা নবীজির কথার ভিত্তি জানতে চাইতেন।
- সন্দেহ হলে জ্ঞানী ব্যক্তির কাছে প্রশ্ন করা ভালো।
