১৪/১. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৪০৬ - শপথ ও সাক্ষ্য দ্বারা বিচার
স্বাক্ষ্য প্রদান এবং গ্রহণ - শপথ ও সাক্ষ্য গ্রহণ দ্বারা বিচার করার বৈধতা
শপথ ও সাক্ষ্য দ্বারা বিচার: প্রমাণের ভারসাম্য
বুলুগুল মারাম : ১৪০৬
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৪০৬
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - ﷺ - قَضَى بِيَمِينٍ وَشَاهِدٍ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ. وَأَبُو دَاوُدَ. وَالنَّسَائِيُّ وَقَالَ: إِسْنَادُ [هُ] جَيِّدٌ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শপথ ও সাক্ষ্য গ্রহণ দ্বারা বিচার করেছেন। [১৫১৪]
[১৫১৪] মুসলিম ১৯৭২, আবু দাউদ ৩৬০৮, ইবনু মাজাহ ২৩৭০, আহমাদ ২২৮৫, ২৮৮১, ২৯৬১। ইমাম নাসাঈ এর সনদকে উত্তম বলেছেন।
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মাহমুদ বিন আহমাদ বিন হাজার বিন আহমাদ আল আসকালানী আল কিনানী
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৪০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ ও সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে বিচার করেছেন। বিচার-ফায়সালায় শুধু দাবি করাই যথেষ্ট নয়; প্রমাণের একটি পদ্ধতি দরকার। কখনও সাক্ষ্য, কখনও শপথ—এসবের মাধ্যমে মানুষের হক নির্ধারণ করা হয়। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। এতে বোঝা যায়, বিচার আবেগ বা পক্ষপাতের উপর দাঁড়ায় না; বরং নির্দিষ্ট প্রমাণ পদ্ধতির উপর দাঁড়ায়। শপথের বিষয়ও সহজ নয়, কারণ আল্লাহর নামে কসম করে মিথ্যা বললে মানুষের অধিকার নষ্ট হতে পারে। তাই বাদী, বিবাদী ও সাক্ষী—সবাইকে সত্যবাদী ও সতর্ক হতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিচারে সাক্ষ্য ও শপথ গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণের মাধ্যম।
- শুধু দাবি করলেই অধিকার প্রমাণ হয় না।
- কসম করার সময় সত্যের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকা দরকার।
- ন্যায়বিচার নির্দিষ্ট পদ্ধতি ও প্রমাণের উপর দাঁড়ায়।
