১৫/০. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৪২৮ - ওয়ালা অধিকার কার জন্য
ওয়ালা (দাসত্ব মুক্তি সূত্রে উত্তরাধিকার) ঐ ব্যক্তির সাব্যস্ত হবে যে দাসকে আযাদ করে দেয়
ওয়ালা কার জন্য: দাস আযাদকারীর অধিকার
বুলুগুল মারাম : ১৪২৮
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৪২৮
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - ﷺ - قَالَ: «إِنَّمَا الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ فِي حَدِيثٍ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, (ওয়ালা দাসত্ব মুক্তিসূত্রে উত্তরাধিকার) ঐ ব্যক্তির জন্য সাব্যস্ত হবে যে দাসকে আযাদ করে দেয়। [১৫৩৭]
[১৫৩৭] বুখারী ৪৫৫, ২১৫৫, ২১৬৮, মুসলিম ১৫০৪, তিরমিযী ১২৫৬, আবু দাউদ ৩৯২৯, ইবনু মাজাহ ৩৮৩৪, মালেক ১৫১৯।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৪২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খুব স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ওয়ালা সেই ব্যক্তির জন্য, যে দাসকে আযাদ করে। ওয়ালা বলতে এখানে দাসমুক্তির সূত্রে একটি সম্পর্ক ও অধিকার বোঝানো হয়েছে। অনুবাদে এটিকে “দাসত্ব মুক্তিসূত্রে উত্তরাধিকার” বলা হয়েছে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি মুক্তির কারণ হয়েছে, তার সঙ্গে একটি বিশেষ সম্পর্ক তৈরি হয়। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো—মুক্তির কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অধিকার অন্য কারো জন্য নয়, আযাদকারীর জন্য। এতে দাসমুক্তির কাজ, অধিকার এবং সম্পর্কের স্বচ্ছতা দেখা যায়। হাদিসটি ছোট হলেও ফিকহি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে ওয়ালার মূল নীতি সংক্ষেপে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়ালা সেই ব্যক্তির জন্য, যে দাসকে মুক্ত করে।
- দাসমুক্তির সঙ্গে একটি বিশেষ সম্পর্ক তৈরি হয়।
- অধিকার নির্ধারণে কাজের প্রকৃত কর্তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- হাদিসটি ওয়ালার মূল নীতিকে সংক্ষেপে তুলে ধরে।
