১৬/৪. অধ্যায়ঃ

বুলুগুল মারাম হাদিস ১৫০০ - গালাগালিতে আগে শুরু করার পাপ

মন্দ চরিত্র সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন

গালাগালি শুরু করার পাপ: সীমা না ছাড়ানোর শিক্ষা

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৫০০

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ: «الْمُسْتَبَّانِ مَا قَالَا, فَعَلَى الْبَادِئِ, مَا لَمْ يَعْتَدِ الْمَظْلُومُ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ গালিদাতাদের মধ্যে প্রথম গালিদাতার উপর যাবতীয় গালির পাপ বর্তাতে থাকে, যতক্ষণ অত্যাচারিত দ্বিতীয় ব্যক্তি সীমালঙ্ঘন না করে। (গালিদানে প্রতিপক্ষকে ছাড়িয়ে না যায়।) [১৬১০]

[১৬১০] মুসলিম ২৪৮৭, ২৪৮৮, বুখারী ৪১৪১, ৪১৪৬।

বুলুগুল মারাম হাদিস ১৫০০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে গালাগালির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতি এসেছে। দুই ব্যক্তি গালি বিনিময় করলে, তাদের কথার পাপ প্রথম গালিদাতার উপর থাকে, যতক্ষণ অত্যাচারিত দ্বিতীয় ব্যক্তি সীমা অতিক্রম না করে। অর্থাৎ আগে গালি শুরু করা বড় অন্যায়। তবে যে ব্যক্তি অন্যায়ের শিকার হয়েছে, সেও যদি সীমা ছাড়িয়ে যায়, তাহলে তার নিজের ভুলের দায় তৈরি হতে পারে। গালাগালি নিয়ে এই হাদিস আমাদের শেখায়, রাগের কথায় আগুন না বাড়ানোই ভালো। কেউ কষ্ট দিলেও প্রতিক্রিয়ায় সীমা মানা দরকার। জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ, ধৈর্য ও নিজেকে থামিয়ে রাখা মুসলিম চরিত্রের অংশ। এই শিক্ষা শুধু ঝগড়ার জন্য নয়; পরিবার, কাজ ও সমাজের কথাবার্তায়ও কাজে লাগে। প্রথমে গালি না দেওয়া এবং উত্তরে সীমা না ছাড়ানো—দুটোই জরুরি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • গালাগালি শুরু করা গুরুতর ভুল।
  • অন্যায় সহ্য করলেও উত্তরে সীমা ছাড়ানো উচিত নয়।
  • রাগের সময় জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
  • বিবাদে নিজেকে থামানো ভালো চরিত্রের পরিচয়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন