২/৩. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ২২৫ - সালাতে সালামের জবাব ইশারায়
সালাতের শর্তসমূহ - মুসল্লী ব্যক্তি ইঙ্গিতের মাধ্যম সলামের উত্তর দিবে
সালাতে সালামের জবাব: হাতের ইশারায় নবীজির পদ্ধতি
বুলুগুল মারাম : ২২৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ২২৫
وَعَنْ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا-[قَالَ]: قُلْتُ لِبِلَالٍ: كَيْفَ رَأَيْتَ النَّبِيَّ - ﷺ - يَرُدَّ عَلَيْهِمْ حِينَ يُسَلِّمُونَ عَلَيْهِ, وَهُوَ يُصَلِّي? قَالَ: يَقُولُ هَكَذَا, وَبَسَطَ كَفَّهُ.أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি বিলাল (রাঃ) -কে বললাম, কেমন করে নবী (ﷺ) সালাত আদায় করার সময় তাঁদের (সাহাবীগণের) সালামের জবাব দিতেন? রাবী বলেন, বিলাল (রাঃ) বললেন, তিনি এভাবে হাত উঠাতেন, (অর্থাৎ হাতের ইশারায় জবাব দিতেন)। তিরমিযী একে সহীহ বলেছেন। [২৫৯]
২৫৯ আবু দাউদ ৯২৭; তিরমিযী ৩৬৮ তিরমিযী বলেছেন: হাদীসটি হাসান।
বুলুগুল মারাম হাদিস ২২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বিলাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে জিজ্ঞেস করেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত আদায়ের সময় সাহাবীদের সালামের জবাব কীভাবে দিতেন। বিলাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, তিনি এভাবে হাত উঠাতেন, অর্থাৎ হাতের ইশারায় জবাব দিতেন। এখানে সালাতে সালামের জবাব দেওয়ার একটি নীরব পদ্ধতি দেখা যায়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সালাতে মুখে কথা বলার বদলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ইশারা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে হাদিসের বাইরে গিয়ে বড় কোনো বিধান বানানো ঠিক নয়। মূল কথা হলো, সালাতের নীরবতা, শৃঙ্খলা এবং অন্যের সালামের প্রতি সম্মান—এই তিনটি বিষয় এখানে সুন্দরভাবে একত্রে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতরত অবস্থায় মুখে কথা না বলে ইশারা করা হয়েছে।
- সালামের সম্মান রক্ষা করা ইসলামী আদবের অংশ।
- সালাতে নীরবতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রয়োজনীয় ইঙ্গিত সালাতের শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে।
