২/৯. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৩৯৪ - সালাতুল আওয়াবীন ও চাশতের সময়
নফল সালাত-এর বিবরণ - চাশতের সালাতের উত্তম সময়
সালাতুল আওয়াবীন: চাশতের সালাতের সময়ের ইঙ্গিত
বুলুগুল মারাম : ৩৯৪
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৩৯৪
وَعَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - ﷺ - قَالَ: «صَلَاةُ الْأَوَّابِينَ حِينَ تَرْمَضُ الْفِصَالُ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন- আল্লাহ্র প্রতি অনুরাগী ব্যক্তিদের নফল সালাত তখন (পড়া হয়) যখন উটের বাচ্চা পা গরম বালুতে দগ্ধ হয় অর্থাৎ মরুভূমিতে সূর্যের প্রখরতায় উটের বাচ্চা মাকে ছেড়ে যখন ছায়ায় চলে আসে। [৪৩৫]
[৪৩৫] মুসলিম ৭৪৮, আহমাদ ১৮৭৭৯, ১৮৭৮৪, দারেমী ১৪৫৭
বুলুগুল মারাম হাদিস ৩৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর প্রতি বেশি ফিরে আসা ব্যক্তিদের সালাত তখন, যখন উটের বাচ্চা গরম বালুতে পা দগ্ধ হওয়ার মতো অবস্থায় পড়ে। সহজ ভাষায়, এখানে সালাতুল আওয়াবীনের সময় বোঝানো হয়েছে—যখন সূর্যের তাপ বেড়ে যায়। অনুবাদে ব্যাখ্যা এসেছে, মরুভূমির প্রখর রোদে উটের বাচ্চা মায়ের কাছ থেকে ছায়ায় চলে আসে। তাই এই হাদিস চাশতের সালাতের সময় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখানে রাকআত সংখ্যা বলা হয়নি এবং নির্দিষ্ট অতিরিক্ত ফজিলতও বলা হয়নি। তাই মূল শিক্ষা হলো—চাশতের সালাতের একটি বিশেষ সময় আছে, যখন সকাল অনেকটা বেড়ে সূর্যের তাপ স্পষ্ট হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতুল আওয়াবীনের সময় সূর্যের তাপ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
- এই হাদিসে রাকআত সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয়নি।
- চাশতের সালাতের সময় বুঝতে হাদিসের ভাষা সতর্কভাবে পড়া দরকার।
