২/১৪. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৪৮৫ - ঈদের দিন নির্ধারণের শিক্ষা
দু ‘ঈদের সালাত - রোযার শুরু ও শেষ দলবদ্ধ হতে হবে
ঈদের দিন: মুসলিম সমাজের সম্মিলিত আনন্দ ও ইবাদত
বুলুগুল মারাম : ৪৮৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৪৮৫
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ: «الْفِطْرُ يَوْمَ يُفْطِرُ النَّاسُ, وَالْأَضْحَى يَوْمَ يُضَحِّي النَّاسُ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,- ঈদুল ফিতর ঐটি যেটিতে জনগণ (রমজানের সাওম পালনের পর) সাওমবিহীন কাটাবে আর ঈদুল আযহা হচ্ছে, যেদিন লোকেরা কুরবানী করে সেদিন। [৫২১]
[৫২১] তিরমিযী ৮০২, আলবানি হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন।
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মাহমুদ বিন আহমাদ বিন হাজার বিন আহমাদ আল আসকালানী আল কিনানী
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
বুলুগুল মারাম হাদিস ৪৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ঈদুল ফিতর হলো সেই দিন, যেদিন মানুষ রমজানের সাওম শেষে সাওমবিহীন থাকে। আর ঈদুল আযহা হলো সেই দিন, যেদিন মানুষ কুরবানি করে। এখানে ঈদের দিনকে ব্যক্তিগত বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্তের মতো না দেখিয়ে মুসলিমদের সম্মিলিত দিনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, সাওম ভঙ্গ, কুরবানি—এসব শব্দ এই হাদিসের মূল বিষয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ঈদ শুধু আনন্দের দিন নয়; এটি মুসলিম সমাজের একসঙ্গে পালন করা ইবাদত ও পরিচয়ের দিন। তাই ঈদের অর্থ বুঝতে হলে সমাজের সামগ্রিক আমলও বিবেচনায় আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতর রমজানের সাওম শেষে সম্মিলিত আনন্দের দিন।
- ঈদুল আযহা কুরবানির দিনের সঙ্গে যুক্ত।
- ঈদের পরিচয় মুসলিম সমাজের প্রকাশ্য আমলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ইবাদত ও আনন্দ ঈদের দিনে একসঙ্গে প্রকাশ পায়।
