৪/০. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬২৬ - খনিজ সম্পদের সদাকাহ
খনিজ সম্পদের যাকাত
খনিজ সম্পদের যাকাত: কাবলিয়াহ অঞ্চলের শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৬২৬
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬২৬
وَعَنْ بِلَالِ بْنِ الْحَارِثِ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - ﷺ - أَخَذَ مِنَ الْمَعَادِنِ الْقَبَلِيَّةِ الصَّدَقَةَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
বিলাল ইবনুল হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাবলিয়াহ অঞ্চলের খনিজ সম্পদের সদাকাহ গ্রহণ করেছেন। [৬৭১]
[৬৭১] আবু দাউদ ৩০৬১, মুওয়াত্তা মালেক ৫৮২ আলবানী ইরওয়াউল গালীল (৮৩০) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন। তিনি উক্ত গ্রন্থে (৩/৩১) বলেন এটি রাসূল (ﷺ) পর্যন্ত পৌছার দিক থেকে সঠিক নয়। আলবানী সহীহ ইবনু খুযাইমাহ (২৩২৩) গ্রন্থেও একে দুর্বল বলেছেন।
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মাহমুদ বিন আহমাদ বিন হাজার বিন আহমাদ আল আসকালানী আল কিনানী
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বিলাল ইবনুল হারিস রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাবলিয়াহ অঞ্চলের খনিজ সম্পদ থেকে সদাকাহ গ্রহণ করেছেন। এখানে মূল আলোচনা খনিজ সম্পদের সদাকাহ বা খনিজ সম্পদের যাকাত। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত বিস্তারিত বিধান বলা ঠিক হবে না। তবে প্রদত্ত বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, খনিজ সম্পদও অর্থনৈতিক দায়িত্বের বাইরে নয়। মানুষ সাধারণত খনিজ সম্পদের যাকাত, মাদিনের যাকাত, খনির সম্পদে সদাকাহ—এসব সার্চ করে। এই হাদিস সম্পদের উৎস নিয়ে সচেতন করে। শুধু নগদ টাকা বা পশু নয়, উৎপন্ন বা উত্তোলিত সম্পদের ক্ষেত্রেও হক আদায়ের আলোচনা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খনিজ সম্পদ থেকেও সদাকাহ গ্রহণের বর্ণনা পাওয়া যায়।
- সম্পদের উৎস ভিন্ন হলে তার বিধান জানতে হয়।
- অর্থনৈতিক ইবাদতে সম্পদের ধরন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- হাদিস সংক্ষিপ্ত হলে ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
