৭/৬. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৮৬৯ - সাবালক চিহ্ন ও বিচারিক বিবেচনা
দেউলিয়া ও সম্পত্তির কর্তৃত্ব বিলোপ - গুপ্ত স্থানে লোম উঠার মাধ্যমে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া
সাবালক চিহ্নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত: বানু কুরাইযার ঘটনার শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৮৬৯
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৮৬৯
وَعَنْ عَطِيَّةَ الْقُرَظِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: عُرِضْنَا عَلَى النَّبِيِّ - ﷺ - يَوْمَ قُرَيْظَةَ، فَكَانَ مَنْ أَنْبَتَ قُتِلَ, وَمَنْ لَمْ يُنْبِتْ خُلِّيَ سَبِيلُهُ, فَكُنْتُ فِيمَنْ لَمْ يُنْبِتْ فَخُلِّيَ سَبِيلِي. رَوَاهُ الْخَمْسَةُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ، وَالْحَاكِمُ
আতিয়্যাহ কুরাযী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বানু কুরাইযার (সামরিক শাস্তির) ঘটনাকালে নবী (ﷺ)-এর নিকটে আমাদেরকে হাজির করা হয়, তাতে যে সব যুবকের গুপ্ত স্থানের লোম উদ্গম হয়েছিল তাদেরকে (অপরাধী ধরে) হত্যা করা হল আর যাদের তা বের হয়নি তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হল। আমার সে সময় তা বের হয়নি বলে আমাকে (নাবালেগ ধরে) ছেড়ে দেয়া হয়েছিল-ইব্নু হিব্বান ও হাকিম একে সহীহ্ বলেছেন। [৯৩৩]
[৯৩৩] তিরমিযী ১৫৮৪, নাসায়ী ৩৪৩০, ৪৯৮১, আবূ দাউদ ৪৪০৪, ইবনু মাজাহ ২৫৪২ আহমাদ ১৮২৯৯, ১৮৯২৮, ২২১৫২, দারেমী ২৪৬৪।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৮৬৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আতিয়্যাহ আল-কুরাযী (রাঃ) বলেন, বানু কুরাইযার ঘটনার সময় তাদেরকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে পেশ করা হয়। যাদের গুপ্ত স্থানের লোম বের হয়েছিল, তাদের অপরাধী ধরে শাস্তি দেওয়া হয়; আর যাদের তা বের হয়নি, তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর তখন তা বের হয়নি, তাই তাঁকে নাবালেগ ধরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। এই হাদিস খুব সংবেদনশীল বিচারিক ঘটনার বর্ণনা। এর মূল শিক্ষা হলো, বয়স ও সাবালকত্বের চিহ্ন বিচারিক সিদ্ধান্তে বিবেচিত হতে পারে। তবে এই বর্ণনাকে সাধারণ জীবনের সব ক্ষেত্রে সরাসরি প্রয়োগের আগে স্কলারদের ব্যাখ্যা প্রয়োজন হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিচারিক সিদ্ধান্তে বয়স ও সাবালকত্বের লক্ষণ বিবেচিত হতে পারে।
- নাবালেগ ও সাবালককে একইভাবে বিচার করা হয়নি—এটি বর্ণনায় দেখা যায়।
- সংবেদনশীল বর্ণনা বুঝতে সতর্কতা ও আলেমদের ব্যাখ্যা দরকার।
