৫/৮৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১১০১ - জুমুআর আযান ও সূর্য ঢলার সময়
জুমুআহ্র সলাতের ওয়াক্ত।
জুমুআর আযান: সূর্য ঢলার পর নববী সময়ের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১১০১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১১০১
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَعْدِ بْنِ عَمَّارِ بْنِ سَعْدٍ، مُؤَذِّنِ النَّبِيِّ ـ ﷺ ـ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّهُ كَانَ يُؤَذِّنُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ ـ ﷺ ـ إِذَا كَانَ الْفَىْءُ مِثْلَ الشِّرَاكِ .
সা‘দ বিন আয়িয (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সময়ে সূর্য পশ্চিমাকাশে জুতার ফিতার ন্যায় ঢলে পড়ার পর আজান দিতেন।
[১১০১] যঈফ। তাখরীজ আলবানী: নাসায়ী ৫২৪ সহীহ, তিরমিযী ১৪৯ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আব্দুর রহমান বিন সা'দ সম্পর্কে ইবনু হিব্বান সিকাহ বললেও ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম বুখারী বলেন, তার ব্যাপারে মন্তব্য রয়েছে। ২. সা'দ বিন আম্মার সম্পর্কে ইবনুল কাত্তান বলেন, তার অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১১০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সময়কার জুমুআর আযানের একটি চিত্র এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, সূর্য পশ্চিম দিকে জুতার ফিতার মতো সামান্য ঢলে পড়ার পর আযান দেওয়া হতো। এখানে মূল বিষয় হলো জুমুআর আযান এবং তার সময়। বর্ণনাটি খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা পরিষ্কার—জুমুআর দিনের আযানও নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল। “জুমুআর আযান”, “জুমার নামাজের আযান” ও “সূর্য ঢলার পর জুমা” বিষয়ে যারা জানতে চান, এ হাদিস তাদের জন্য সরাসরি তথ্য দেয়। তবে হাদিসে শুধু বর্ণিত সময়চিত্র উল্লেখ করা হয়েছে; এর বাইরে অন্য কোনো দীর্ঘ বিধান এখানে যোগ করা ঠিক নয়। এতে আযানের সময়চিত্র বোঝা যায়, কিন্তু আযানের সংখ্যা বা পদ্ধতি নিয়ে এখানে বিস্তারিত আলোচনা নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমুআর আযান সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ইবাদতের ঘোষণা।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর যুগের আমল জানতে সাহাবিদের বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
- সূর্য ঢলার বিষয়টি হাদিসে সময় বোঝানোর সহজ ভাষা হিসেবে এসেছে।
- ইবাদতের সময় সম্পর্কে অযথা ঢিলেমি না করা উচিত।
