৮/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৭৬ - জুমার পর বিশ্রাম ও আহারের সময়
পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলে পড়ার সময় জুমু‘আর সলাত প্রসঙ্গে
জুমার সালাতের পর বিশ্রাম ও দুপুরের আহার
সহীহ মুসলিম : ১৮৭৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮৭৬
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، وَيَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَهْلٍ، قَالَ مَا كُنَّا نَقِيلُ وَلاَ نَتَغَدَّى إِلاَّ بَعْدَ الْجُمُعَةِ - زَادَ ابْنُ حُجْرٍ - فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা জুমু‘আর সালাত আদায়ের পরই বিশ্রাম গ্রহণ করতাম এবং দুপুরের আহার করতাম। ইবনু হুজ্র (রহঃ)-এর বর্ণনায় আরো আছে, “রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে।
ই.ফা.১৮৬১, ই.সে.১৮৬৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহল (রাঃ) বলেন, তারা জুমার সালাত আদায়ের পরই বিশ্রাম গ্রহণ করতেন এবং দুপুরের আহার করতেন। ইবনু হুজর (রহঃ)-এর বর্ণনায় যোগ হয়েছে, এটি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগের কথা। হাদিসটি জুমার সময় বুঝতে সাহায্য করে। কারণ এখানে বলা হচ্ছে, বিশ্রাম ও দুপুরের খাবার জুমার সালাতের পরে হতো। এতে বোঝা যায়, সাহাবীদের জীবনে জুমার সালাত দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজের আগে স্থান পেত। তারা আগে সালাত আদায় করতেন, তারপর বিশ্রাম ও খাবার গ্রহণ করতেন। এই হাদিস থেকে জুমার দিনের শৃঙ্খলা, সময়ের মূল্য এবং সালাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়। জুমাকে শুধু একটি সামাজিক জমায়েত নয়, বরং দিনের কেন্দ্রীয় ইবাদত হিসেবে দেখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগে জুমার সালাতের পর বিশ্রাম করা হতো।
- দুপুরের আহারও জুমার সালাতের পরে নেওয়া হতো।
- জুমার সালাত দিনের কাজের আগে অগ্রাধিকার পেত।
- জুমার দিন সময়ের পরিকল্পনা করে চলা উচিত।
