৫/১২৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১১৯৩ - সফরে তাহাজ্জুদ ও বিতর
সফরে বিত্রের সালাত পড়া।
সফরে বিতর সালাত ও তাহাজ্জুদের নববী আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১১৯৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১১৯৩
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ يُصَلِّي فِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ لاَ يَزِيدُ عَلَيْهِمَا وَكَانَ يَتَهَجَّدُ مِنَ اللَّيْلِ . قُلْتُ وَكَانَ يُوتِرُ قَالَ نَعَمْ .
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সফরে দু’ রাকআত (ফরজ) সালাত আদায় করতেন তার চেয়ে বেশি পড়তেন না। আর তিনি তাহাজ্জুদ সালাতও পড়তেন। আমি বললাম, তিনি কি বিত্র সালাত আদায় করতেন? তিনি বলেন, হাঁ।
[১১৯৩] ইবনু মাজাহ ১১৯৪, আহমাদ ২১৫৭। তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ জিদ্দান। তাখরীজ আলবানী: নাসায়ী ১৪৫৭ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী জাবির (বিন ইয়াযীদ ইবনুল হারিস) সম্পর্কে ওয়াকী ইবনুল জাররাহ সিকাহ বললেও আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি মিথ্যা কথা বলেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি মিথ্যুক। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নন। আল-জাওযুজানী তাকে মিথ্যুক বলেছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১১৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সফরের সালাত সম্পর্কে বর্ণনা এসেছে। বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সফরে দুই রাকাত ফরজ সালাত আদায় করতেন, তার চেয়ে বেশি পড়তেন না। একই বর্ণনায় বলা হয়েছে, তিনি তাহাজ্জুদ সালাতও পড়তেন। প্রশ্ন করা হলো, তিনি কি বিতর সালাত আদায় করতেন? উত্তরে বলা হলো, হ্যাঁ। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সফরে সালাতের ধরন, বিশেষ করে বিতর ও তাহাজ্জুদের আমল। এখানে দুই রাকাত ফরজ সালাতের কথা যেমন এসেছে, তেমনি রাতের নফল সালাত ও বিতরের কথাও এসেছে। তবে সফরের সব বিধান বা বিস্তারিত নিয়ম এই হাদিসে নেই। ব্যাখ্যাটি তাই বর্ণিত কথার মধ্যেই সীমিত রাখা হলো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সফরে দুই রাকাত ফরজ সালাত পড়তেন।
- সফরেও তিনি তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতেন।
- সফরে বিতর সালাত পড়ার বর্ণনা এসেছে।
- সফরের আমল সম্পর্কে হাদিস থেকে সরাসরি শেখা যায়।
