৬/৩৮. অধ্যায়ঃ

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৫৫২ - কেবলামুখী দাফনের শিক্ষা

লাশ কবরে রাখা।

কেবলামুখী দাফনের বর্ণনা ও সম্মানের শিক্ষা

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৫৫২

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَقَ حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ عَنْ عَطِيَّةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ ﷺ أُخِذَ مِنْ قِبَلِ الْقِبْلَةِ وَاسْتُقْبِلَ اسْتِقْبَالًا

আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর লাশ কেবলার দিক থেকে কবরে রাখার জন্য গ্রহণ করা হয়, তাঁর মুখমণ্ডল কেবলামুখী রাখা হয়

[১৫৫১] তাহকীক আলবানীঃ মুনকার। উক্ত হাদিসের রাবী আতিয়্যাহ বিন সা'দ সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি দুর্বল। আবু যুরআহ বলেন, তিনি লায়্যিন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি দুর্বল। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তার উপর নির্ভর করা যায় না।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৫৫২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর দাফনসংক্রান্ত একটি বর্ণনা এসেছে। বলা হয়েছে, তাঁর লাশ কেবলার দিক থেকে কবরে রাখার জন্য গ্রহণ করা হয়, তাঁর মুখমণ্ডল কেবলামুখী রাখা হয় এবং পায়ের দিক থেকে রওযা মুবারকে নামানো হয়। এখানে মূল বিষয় হলো কেবলামুখী দাফন ও কবরে নামানোর দিক। বর্ণনাটি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর দাফনের একটি নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে। তাই এর ব্যাখ্যায় বাড়তি কাহিনি বা আলাদা নিয়ম যোগ করা ঠিক নয়। হাদিস থেকে বোঝা যায়, দাফনের কাজ খুব সম্মান ও সতর্কতার সাথে করা হয়েছে। কেবলা, মুখমণ্ডলের দিক এবং কবরে নামানোর ধরন—এসব বিষয় বর্ণনায় আলাদা করে উল্লেখিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দাফনের সময় দিক ও অবস্থানের বিষয় গুরুত্বের সাথে এসেছে।
  • রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর দাফন সম্মান ও সতর্কতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে।
  • কেবলামুখী রাখার বর্ণনা এই হাদিসে স্পষ্ট।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন