৭/৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৫৩ - শাওয়ালের চাঁদ ও ঈদের নির্দেশ
নতুন চাঁদ দেখার সাক্ষ্য প্রদান।
শাওয়ালের চাঁদের সাক্ষ্য: সিয়াম ভঙ্গ ও ঈদের প্রস্তুতি
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৫৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৫৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ أَبِي عُمَيْرِ بْنِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ حَدَّثَنِي عُمُومَتِي مِنْ الْأَنْصَارِ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ ﷺ قَالُوا أُغْمِيَ عَلَيْنَا هِلَالُ شَوَّالٍ فَأَصْبَحْنَا صِيَامًا فَجَاءَ رَكْبٌ مِنْ آخِرِ النَّهَارِ فَشَهِدُوا عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُمْ رَأَوْا الْهِلَالَ بِالْأَمْسِ فَأَمَرَهُمْ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ أَنْ يُفْطِرُوا وَأَنْ يَخْرُجُوا إِلَى عِيدِهِمْ مِنْ الْغَدِ
আবূ উয়ায়মির বিন আনাস বিন মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সহাবী এবং আনসার সম্প্রদায়ভুক্ত আমার এক চাচা (ইসমু মুবহাম বা নাম অজ্ঞাত) আমার নিকট বর্ণনা করেন, মেঘের কারণে আমরা শাওয়ালের নতুন চাঁদ দেখতে পাইনি। আমরা (পরের দিন) সিয়াম রাখলাম। দিনের শেষভাগে একটি কাফেলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে গতকাল চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দিলো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লোকেদেরকে ইফতার (সিয়াম ভঙ্গ) করার এবং পরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
[১৬৫৩] নাসায়ী ১৫৫৭, আবূ দাউদ ১১৫৭ ইরওয়াহ ৬৩৪, সহীহ আবী দাউদ ১০৫০। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে শাওয়ালের নতুন চাঁদ দেখা না যাওয়ার একটি ঘটনা এসেছে। মেঘের কারণে সাহাবীগণ চাঁদ দেখতে পাননি, তাই পরের দিন তারা সিয়াম রাখেন। দিনের শেষভাগে একটি কাফেলা এসে নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে সাক্ষ্য দিল যে, তারা গতকাল চাঁদ দেখেছে। তখন রসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم লোকদের ইফতার করতে এবং পরের দিন ঈদগাহে যেতে নির্দেশ দেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, চাঁদ দেখা বা সাক্ষ্য পাওয়ার ভিত্তিতে রমজান শেষ এবং ঈদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভুল ধারণা বা মেঘাচ্ছন্ন অবস্থার কারণে রোজা রাখা হলেও, সঠিক সাক্ষ্য পাওয়ার পর নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশই মানা হয়েছে। এই হাদিস রোজা, চাঁদের সাক্ষ্য এবং ঈদের নিয়ম মানার সুন্দর উদাহরণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শাওয়ালের চাঁদের সাক্ষ্য পেলে রমজানের সিয়াম শেষ হয়।
- সঠিক তথ্য পেলে আগের অবস্থান বদলে নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ মানতে হয়।
- ঈদগাহে যাওয়ার নির্দেশ এ বর্ণনায় এসেছে।
