৭/১৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৮৫ - রোযা অবস্থায় চুমুর বর্ণনা
রোযাদারের চুমু দেয়া সম্পর্কে
রোযা অবস্থায় চুমু: সংক্ষিপ্ত হাদিসের সহজ ব্যাখ্যা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৮৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৮৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَا حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ مُسْلِمٍ عَنْ شُتَيْرِ بْنِ شَكَلٍ عَنْ حَفْصَةَ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يُقَبِّلُ وَهُوَ صَائِمٌ
হাফসাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) রোযারত অবস্থায় চুমা দিতেন।
[১৬৮৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হাফসা রাঃ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে নবী صلى الله عليه وسلم রোযা অবস্থায় চুমু দিতেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই এখান থেকে খুব বড় কোনো আলোচনা টেনে আনা ঠিক নয়। তবে একই বিষয়ের অন্যান্য বর্ণনায় আত্মনিয়ন্ত্রণের কথা এসেছে, তাই এই হাদিসও সংযমের আলোকে বোঝা নিরাপদ। রোযা মানুষের শরীর ও মনকে নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দেয়। দাম্পত্য সম্পর্ক বৈধ হলেও রোযার সময়ে নিজের নিয়ন্ত্রণ, সতর্কতা এবং সিয়ামের মর্যাদা বজায় রাখা দরকার। এই হাদিস রোযাদারকে মনে করায়, কোনো কাজের বাহ্যিক দিকের পাশাপাশি নিজের অবস্থাও বিবেচনা করতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم-এর রোযা অবস্থায় চুমু দেওয়ার বর্ণনা এসেছে।
- বিষয়টি বোঝার সময় আত্মনিয়ন্ত্রণের দিকটি ভুলে যাওয়া উচিত নয়।
- রোযা মানুষের আচরণ ও ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দেয়।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
