৯/৫৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২০০৫ - সন্তান স্বামীর শয্যার অধিকার
সন্তান বিছানার মালিকের এবং ব্যভিচারির জন্য পাথর।
সন্তান বৈধ শয্যাধারীর: পরিবার ও বংশের গুরুত্বপূর্ণ নীতি
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২০০৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২০০৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَضَى بِالْوَلَدِ لِلْفِرَاشِ
উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফয়সালা দিয়েছেন যে, সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর)।
[২০০৫] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। বায়হাকী ৭/১৬৯, তাখরীজুল মুখতারাহ ২২৩-২২৮। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২০০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم একটি বড় পারিবারিক নীতি স্পষ্ট করেছেন। তিনি ফয়সালা দিয়েছেন, সন্তান বৈধ শয্যাধারীর, অর্থাৎ স্বামীর। হাদিসটি ছোট হলেও এর শিক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারে সন্তান জন্মের বিষয়ে সন্দেহ, দাবি বা বিরোধ দেখা দিলে ব্যক্তিগত ধারণা দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়। এখানে রাসূল صلى الله عليه وسلم একটি নীতির কথা বলেছেন, যা দাম্পত্য সম্পর্ক, সন্তানের পরিচয় এবং পরিবারের সম্মানকে রক্ষা করে। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, ইসলামে বংশের বিষয়টি হালকা করে দেখা হয় না। একই সঙ্গে কারো ওপর তাড়াহুড়া করে অপবাদ দেওয়াও ঠিক নয়। তাই “সন্তান বৈধ শয্যাধারীর” কথাটি পরিবারিক স্থিরতা ও ন্যায়ভিত্তিক ফয়সালার একটি বড় শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সন্তানের পরিচয় নির্ধারণে বৈধ দাম্পত্য সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- পারিবারিক বিষয়ে অনুমান দিয়ে ফয়সালা করা ঠিক নয়।
- বংশ ও সম্মান রক্ষায় শরঈ নীতি অনুসরণ করা দরকার।
