৯/৫৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২০০৬ - সন্তান বৈধ শয্যার, ব্যভিচারীর নয়
সন্তান বিছানার মালিকের এবং ব্যভিচারির জন্য পাথর।
সন্তান বৈধ শয্যার: ব্যভিচারীর দাবির কোনো স্থান নেই
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২০০৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২০০৬
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর) এবং ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর।
[২০০৬] সহীহুল বুখারী ৬৭৫০, ৬৮১৮, মুসলিম ১৪৫৮, তিরমিযী ১১৫৭, নাসায়ী ৩৪৮২, ৩৪৮৩, আহমাদ ৭২২১, ৭৭০৫, ৮৭৭৭, ৯০৪৭, ৯৬৯২, ৯৭৯৭, দারেমী ২২৩৫। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২০০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেন, সন্তান বৈধ শয্যাধারীর এবং ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সন্তান ও বংশের বিষয়ে বৈধ দাম্পত্য সম্পর্কই গ্রহণযোগ্য ভিত্তি। ব্যভিচারী ব্যক্তি কোনো অবৈধ সম্পর্কের কারণে সন্তানের ওপর দাবি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। হাদিসের ভাষা কঠোর, কারণ বিষয়টি পরিবার, সম্মান ও সমাজের স্থিরতার সঙ্গে যুক্ত। এটি কাউকে নিজের হাতে শাস্তি দেওয়ার অনুমতি নয়; বরং হাদিসে বংশ নির্ধারণের নীতি ও ব্যভিচারের দাবির অগ্রহণযোগ্যতা বোঝানো হয়েছে। তাই এই হাদিস পরিবারকে সন্দেহ, অপবাদ ও অবৈধ দাবি থেকে বাঁচানোর শিক্ষা দেয়। ইসলামে সম্পর্কের পবিত্রতা এবং বৈধ বিয়ের মর্যাদা খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সন্তানের পরিচয়ে বৈধ শয্যা বা দাম্পত্য সম্পর্ককে ভিত্তি ধরা হয়।
- অবৈধ সম্পর্কের ভিত্তিতে বংশ দাবি করা গ্রহণযোগ্য নয়।
- পরিবারের সম্মান রক্ষায় শরঈ সীমা মানা দরকার।
