২৫/৯০. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৮৫ - ইহরামে হায়েনা শিকারের কাফফারা
কেউ ইহরাম অবস্থায় শিকার করলে তার কাফ্ফারা
ইহরামে হায়েনা শিকারের কাফফারা: একটি ভেড়ার বিধান
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩০৮৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩০৮৫
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ فِي الضَّبُعِ يُصِيبُهُ الْمُحْرِمُ كَبْشًا وَجَعَلَهُ مِنَ الصَّيْدِ .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইহরামধারী ব্যক্তি কর্তৃক হায়েনা শিকারের কাফ্ফারা একটি ভেড়া নির্ধারণ করেছেন এবং হায়েনাকেও শিকারের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
[৩০৮৫] ইবনু মাজাহ ৩২৩৬, তিরমিযী ৮৫১, ১৭৯১, নাসায়ী ২৮৩৬, ৪৩২৩, আবূ দাউদ ২৮০১, আহমাদ ১৩৭৫১, ১৪০১৬, ১৪০৪০, দারেমী ১৯৪১, ১৯৪২, আত-তালীক আলা ইবনু খুযাইমাহ ২২৪৮, ইরওয়া ১০৫০। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ইহরামধারী ব্যক্তির হায়েনা শিকারের কাফফারা একটি ভেড়া নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে হায়েনাকেও শিকারের অন্তর্ভুক্ত বলেছেন। হাদিসের মূল বিষয় হলো ইহরাম অবস্থায় শিকার সংক্রান্ত দায়িত্ব। ইহরামে থাকা মানে শুধু পোশাক বদলানো নয়; বরং কিছু কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা। এখানে যদি হায়েনা শিকার করা হয়, তার একটি নির্দিষ্ট কাফফারা আছে বলে বর্ণনায় এসেছে। ব্যাখ্যায় এটুকুই বলা নিরাপদ যে, এই হাদিসে হায়েনা শিকারকে সাধারণ পশু হত্যার মতো বলা হয়নি; বরং শিকার হিসেবে ধরে কাফফারা নির্ধারণ করা হয়েছে। যারা ইহরামে শিকার, হজ্জে কাফফারা, বা হায়েনা শিকারের বিধান খোঁজেন, তাদের জন্য এটি সরাসরি সম্পর্কিত হাদিস।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় শিকারের বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
- হায়েনা শিকারকে এই হাদিসে শিকারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- কাফফারা হিসেবে একটি ভেড়ার কথা হাদিসে এসেছে।
- ইহরামের নিয়ম ভাঙলে নির্ধারিত দায় থাকতে পারে।
