৩১/৪৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৪১ - অসুস্থকে সুস্থের সংস্পর্শে না আনার শিক্ষা
যে ব্যক্তি ফাল পছন্দ করে এবং অশুভ লক্ষন অপছন্দ করে
অসুস্থকে সুস্থের সংস্পর্শে না নেওয়ার নববী নির্দেশনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৪১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৪১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «لاَ يُورِدُ الْمُمْرِضُ عَلَى الْمُصِحِّ ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ অসুস্থকে সুস্থদের সংস্পর্শে নেয়া উচিত নয়।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, অসুস্থকে সুস্থদের সংস্পর্শে নেওয়া উচিত নয়। এখানে রোগ ও সুস্থতার ব্যাপারে একটি বাস্তব সতর্কতা শেখানো হয়েছে। আগের হাদিসে রোগকে স্বাধীন শক্তি মনে করার ভুল ধারণা সংশোধন করা হয়েছে, আর এখানে অসুস্থতার ক্ষেত্রে সাবধানতা রাখতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ আল্লাহর উপর ঈমান ও তাকদিরের বিশ্বাস থাকবে, আবার মানুষের ক্ষতি কমানোর জন্য দায়িত্বশীল আচরণও থাকবে। অসুস্থকে সুস্থের মাঝে না আনা মানে অযথা ঝুঁকি তৈরি না করা। তাই ইসলাম ভয় নয়, বরং আস্থা ও সতর্কতার সুন্দর ভারসাম্য শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অসুস্থ ও সুস্থ মানুষের মেলামেশায় সতর্ক থাকা উচিত।
- তাকদিরে বিশ্বাসের পাশাপাশি কারণ ও সতর্কতাও মানতে হয়।
- অন্যের সম্ভাব্য ক্ষতি কমানো ভালো আচরণের অংশ।
- রোগের বিষয়ে বাড়াবাড়ি ভয় বা অবহেলা—দুটিই এড়ানো দরকার।
