৩৩/৫২. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৮৬ - সূরা মুলকের শাফাআত
কুরআন অধ্যয়নের সওয়াব
সূরা মুলকের ফজিলত ও শাফাআতের আশার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭৮৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭৮৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبَّاسٍ الْجُشَمِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ ﷺ ـ قَالَ " إِنَّ سُورَةً فِي الْقُرْآنِ ثَلاَثُونَ آيَةً شَفَعَتْ لِصَاحِبِهَا حَتَّى غُفِرَ لَهُ ﴾تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ﴿ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ কোরআন মজীদে তিরিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরা আছে, যা তার তিলাওয়াতকারীর জন্য শাফাআত করবে, শেষে তাকে ক্ষমা করা হবে। তা হলো : তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল “মুলক” (সূরা মুলক)।
[৩০১৬] তিরমিযী ২৮৯১, আবূ দাউদ ১৪০০। রাওদুন নাদীর ৬৪, তা‘লীকুর রাগীব ২/২২২, ২২৩, সহীহ আবূ দাউদ ১২৬৫।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরআনের ত্রিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরার কথা বলা হয়েছে, যা তার তিলাওয়াতকারীর জন্য শাফাআত করবে। শেষে তাকে ক্ষমা করা হবে—হাদিসে সেই সূরাকে “তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক”, অর্থাৎ সূরা মুলক বলা হয়েছে। এখানে সূরা মুলকের ফজিলত সরাসরি উল্লেখ আছে। তাই এই হাদিস মানুষকে সূরা মুলক পড়তে উৎসাহ দেয়। তবে মূল শিক্ষা হলো, কুরআনের সূরাগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক রাখা এবং আল্লাহর কালামের প্রতি মনোযোগী হওয়া। সূরা মুলক শুধু পাঠের বিষয় নয়; এর বার্তা নিয়ে ভাবাও কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ককে গভীর করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা মুলক তিলাওয়াতকারীর জন্য শাফাআতের কারণ হতে পারে।
- কুরআনের ছোট সূরাও বড় ফজিলতের অধিকারী হতে পারে।
- সূরা মুলকের সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক রাখা উৎসাহিত করা হয়েছে।
