১/৪১. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৮ - ওজু, সালাত ও বিসমিল্লাহ
উযু করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলা
ওজু ছাড়া সালাত নয়: ওজুর শুরুতে বিসমিল্লাহর শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৯৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯৮
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا يَزِيدُ بْنُ عِيَاضٍ، حَدَّثَنَا أَبُو ثِفَالٍ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، أَنَّهُ سَمِعَ جَدَّتَهُ بِنْتَ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، تَذْكُرُ أَنَّهَا سَمِعَتْ أَبَاهَا، سَعِيدَ بْنَ زَيْدٍ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لاَ وُضُوءَ لَهُ وَلاَ وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يَذْكُرِ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ».
সা'ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যার অজু হয়নি তার সালাত হয়নি এবং যে ব্যক্তি অজুর সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলেনি তার অজু হয়নি।
[৩৯৬] তিরমিযী ২৫ তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান। উক্ত হাদীসের রাবী ইয়াযীদ বিন ইয়াদ সম্পর্কে মালিক বিন আনাস ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে মিথ্যুক বলেছেন। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি দুর্বল। আমর বিন ফাল্লাস বলেন, তিনি হাদীস বর্ণনায় অধিক দুর্বল। আহমাদ বিন সালিহ আল মিসরী বলেন, আমার ধারনা তিনি হাদীস বানিয়ে বর্ণনা করেন। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, তিনি হাদীস বর্ণনায় মুনকার।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৮-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: বিসমিল্লাহ ও ওজু। এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যার ওজু হয়নি তার সালাত হয়নি এবং যে ব্যক্তি ওজুর সময় বিসমিল্লাহ বলেনি তার ওজু হয়নি। বর্ণনাটি সালাত ও ওজুর সম্পর্ককে খুব পরিষ্কার করে। সালাতের আগে পবিত্রতা দরকার, আর ওজুর সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করার বিষয়ও এখানে যুক্ত হয়েছে। এই হাদিসে দুইটি কথা একসঙ্গে এসেছে: ওজু সালাতের প্রস্তুতি, আর বিসমিল্লাহ ওজুর সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই ওজুর সময় বিসমিল্লাহ, সালাতের জন্য ওজু এবং আল্লাহর নাম স্মরণ—এসব বিষয় এই বর্ণনার মূল আলোচ্য।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের জন্য ওজুর প্রয়োজনীয়তা হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে।
- ওজুর সময় বিসমিল্লাহ বলার গুরুত্ব সরাসরি বলা হয়েছে।
- ইবাদতের আগে পবিত্রতা ও আল্লাহর স্মরণ—দুইটিই এই বর্ণনায় যুক্ত।
