৫/১২. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৪৫ - কিরাআতের আগে ও রুকুর সময় নীরবতা
ইমামের নীরবতা অবলম্বনের দু’টি স্থান।
সালাতে কিরাআতের আগে ও রুকুর সময় নীরবতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৮৪৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৮৪৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ خِدَاشٍ، وَعَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِشْكَابَ، قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ قَالَ سَمُرَةُ حَفِظْتُ سَكْتَتَيْنِ فِي الصَّلاَةِ سَكْتَةً قَبْلَ الْقِرَاءَةِ وَسَكْتَةً عِنْدَ الرُّكُوعِ . فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عَلَيْهِ عِمْرَانُ بْنُ الْحُصَيْنِ فَكَتَبُوا إِلَى الْمَدِينَةِ إِلَى أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ فَصَدَّقَ سَمُرَةَ.
সামুরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি সালাতের মধ্যে নীরবতা অবলম্বনের দুটি স্থান স্মৃতিতে ধরে রেখেছিঃ একটি কিরাআত শুরু করার পূর্বে এবং অপরটি রুকুর সময়। ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ) তা অস্বীকার করেন। তাঁরা বিষয়টি সম্পর্কে মদীনাতে উবাই বিন কা'ব (রাঃ) -কে লিখেন। তিনি সামুরা (রাঃ) -এর মত সমর্থন করেন।
[৮৪৩] তিরমিযী ২৫১, আবূ দাঊদ ৭৭৭, আহমাদ ১৯৫৭৭, ১৯৬১৯, ১৯৬৫৩, ১৯৭১৬, ১৯৭৩১, ১৯৭৫৩; দারিমী ১২৪৩, মাজাহ ৮৪৪। তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: আবূ দাঊদ ৭৭৭ যঈফ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সামুরা (রাঃ) বলেন, তিনি সালাতে নীরবতার দুটি স্থান মনে রেখেছেন—একটি কিরাআত শুরু করার আগে, আরেকটি রুকুর সময়। ইমরান ইবনুল হুসাইন (রাঃ) তা অস্বীকার করলে বিষয়টি মদীনায় উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-এর কাছে লেখা হয়। তিনি সামুরা (রাঃ)-এর কথাকে সমর্থন করেন। হাদিসটি আমাদের দেখায়, সাহাবীরা সালাতের আমল খুব যত্ন নিয়ে মনে রাখতেন এবং যাচাই করতেন। এখানে সালাতের নীরবতা কোনো আলাদা গল্প নয়; এটি সালাতের ভেতরের শৃঙ্খলা ও ধীরতার অংশ হিসেবে এসেছে। মুসল্লির জন্য শিক্ষা হলো, সালাতের প্রতিটি অবস্থান বুঝে, শান্তভাবে এবং সুন্নাহর বর্ণনা অনুসারে আদায় করার চেষ্টা করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে কিরাআতের আগে নীরবতার বর্ণনা আছে।
- রুকুর সময়ের নীরবতার কথাও এই হাদিসে এসেছে।
- সাহাবীরা মতভেদ হলে যাচাই করতেন।
- সালাত ধীরে ও মনোযোগের সঙ্গে আদায় করা উচিত।
