৫/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৫১ - ইমামের আমীনে আমীন বলার ফজিলত
সশব্দে আমীন বলা।
ইমাম আমীন বললে আমীন বলার ফজিলত
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৮৫১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৮৫১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ ﷺ ـ قَالَ «إِذَا أَمَّنَ الْقَارِئُ فَأَمِّنُوا فَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ تُؤَمِّنُ فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যখন কুরআন পাঠকারী (ইমাম) আমীন বলেন, তখন তোমরাও আমীন বলো। কেননা ফেরেশতাগণও তখন আমীন বলেন। অতএব যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে হয় তাঁর পূর্ববর্তী গুনাহ মাফ করা হয়।
[৮৪৯] বুখারী ৭৮০-৮২, ৪৪৭৫, ৬৪০২; মুসলিম ৪১০/১-৪, তিরমিযী ২৫০, নাসায়ী ৯২৫-৩০, আবূ দাঊদ ৯৩৫-৩৬, আহমাদ ৭১৪৭, ৭২০৩, ৭৬০৪, ২৭৩৩৮, ২৭২১৫, ৯৫১২, ৯৬০৫; মুওয়াত্ত্বা মালিক ১৯৫-৯৭, দারিমী ১২৪৫-৪৬, মাজাহ ৮৫২, ৮৫৩। তাহকীক আলবানী: সহীহ। তাখরিজ আলবানী: ইরওয়াহ ৩৪৪, সহীহ আবী দাউদ ৮৬৬।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, যখন কুরআন পাঠকারী অর্থাৎ ইমাম আমীন বলেন, তখন তোমরাও আমীন বলো। কারণ ফেরেশতারাও তখন আমীন বলেন। যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সঙ্গে মিলে যায়, তার পূর্ববর্তী গুনাহ মাফ করা হয়। এখানে আমীন বলা শুধু মুখের শব্দ নয়; এটি সালাতের ভেতরে দোয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি বড় আমল। সূরা ফাতিহার শেষে ইমাম যখন আমীন বলেন, মুসল্লিরাও আমীন বলবে—এটাই সরাসরি শিক্ষা। তবে হাদিসের ভাষা অনুযায়ী ফজিলতটি ফেরেশতাদের আমীনের সঙ্গে মিলের সঙ্গে যুক্ত। তাই মুসল্লির উচিত মনোযোগ দিয়ে, সময় বুঝে এবং ইমামের সঙ্গে আমীন বলা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমাম আমীন বললে মুসল্লিদের আমীন বলার নির্দেশ আছে।
- ফেরেশতারাও আমীন বলেন—হাদিসে এ ফজিলত এসেছে।
- আমীন বলা দোয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি অর্থপূর্ণ আমল।
- ইমামের সঙ্গে সময় মিলিয়ে আমীন বলা উচিত।
